রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

যায়দ ইবন হারিছার নেতৃত্বে সেনা-অভিযান (যুকারদা অভিমুখে)

যায়দ ইবন হারিছার নেতৃত্বে সেনা-অভিযান (যুকারদা অভিমুখে)

ছিল ৷ উবাদা (রা) রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে ওই চুক্তি প্ৰত্যাহারের ঘোষণা
দিলেন, এবং ওদের সাথে সম্পর্ক বর্জন করে আল্লাহ্ তাআলা ও রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর পক্ষ
অবলম্বন করলেন ৷ তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লড়াহ্ ! আমি আল্লাহ্ তাআলা, তীর রাসুল এবং
মু’মিনদের সাথে রয়েছি ৷ সাথে সাথে এসব ইয়াহুদী কাফিরদের সম্পাদিত চুক্তি ও বন্ধুত্ব আমি
প্রত্যাহার করে নিচ্ছি ৷ বর্ণনাকারী বলেন, উবাদা ইবন সামিত এবং আবদুল্লাহ ইবন উবাই দুজনকে
উপল্য করে সুরা মায়িদার এ আয়াত নাযিল হয়েছে :

হে মুমিনণণ ! ইয়াহ্রদী ও খৃণ্টানদেরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করো না , তারা পরস্পর পরস্পরের
বন্ধু ৷ তোমাদের মধ্যে কেউ ওদেরকে বন্ধু রুপে গ্রহণ করলে (ন্ন্ তাদেরই একজন হবে ৷ আল্লাহ্
যালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না এবং যাদের অম্ভরে ব্যাধি রয়েছে তুমি তাদের
সত্র ওদের সাথে মিলিত হতে দেখবে এই বলে “আমাদের আশংকা হয় আমাদের ভাগ্য বিপর্যয়
ঘটবে ৷ হয়ত আল্লাহ বিজয় অথবা তার নিকট হতে এমন কিছু দিবেন যাতে তারা তাদের অস্তরে
যা গোপন রেখেছিল তার জন্যে অনুতপ্ত হবে ৷ এবং মুমিনণণ বলবে, এরাই কী তারা যারা
আল্লাহর নামে দৃঢ়ভাবে শপথ করেছিল যে, তারা তোমাদের সংগেই আছে ? তাদের কর্ম নিম্ফল
হয়েছে ৷ ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৷ হে মুমিনণণ! তোমাদের মধ্যে কেউ দীন হতে ফিরে
গেলে আল্লাহ্ এমন এক সম্প্রদায় অড়ানবেন যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন ও যারা র্তাকে ভাল-
বাসবে, তারা মু’মিনদের প্ৰতি কোমল ও কাফিরদের প্রতি কঠোর হবে, তারা আল্লাহর পথে
জিহাদ করবে এবং কোন নিন্দুকের নিন্দার ভয় করবে না, এটি আল্লাহ্র অনুগ্রহ যাকে ইচ্ছা তিনি
দান করেন এবং আল্লাহ্ প্রাচুর্যময় ও প্রজ্ঞাময় ৷ তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ্ তার রাসুল ও
মু’মিনগণ যারা বিনত হয়ে সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয় ৷ কেউ আল্লাহ্, র্তার রাসুল এবং
মু’মিনদেরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করলে আল্লাহ্র দলই তো বিজয়ী হবে ৷ (৫-মায়িদা : ৫ ১ ৫৬) ৷
আয়াতে “যাদের মনে ব্যাধি আছে” দ্বারা আবদুল্লাহ ইবন উবাইকে এবং “যারা আল্লাহ্কে তার
রাসুলকে এবং মুমিনদেরকে বন্ধুরুপে গ্রহণ করে” দ্বারা উবাদা ইবন সামিতকে বুঝানো হয়েছে ৷
আমাদের তাফসীর গ্রন্থে আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি ৷
যায়দ ইবন হারিছার নেতৃত্বে সেনা-অভিযান (বু-কাৱদা অভিমুখে)

এই অভিযান ছিল আবু সুফিয়ানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত কুরায়শের ব্যবসায়ী কাফেলার
উদ্দেশ্যে ৷ কেউ বলেছেন, ওই কাফেলা যাত্রা করেছিল সাফওয়ানের তত্ত্বাবধানে ৷ ইউনুস ইবন
বুকায়র (র) ইবন ইসহাক সুত্রে বলেছেন যে, এই অভিযানটি পরিচালিত হয় বদর যুদ্ধের ছয় মাস
পর ৷ ইবন ইসহাক বলেন, ঘটনাটি ছিল এই : বদর যুদ্ধের পুর্বে কুরায়শগণ যে পথে সিরিয়া যেত
বদর যুদ্ধের পর ওই পথে সিরিয়া যেতে তারা ভয় পেতে৷ ৷ তাই এবার তারা ইরাকের পথে রওনা
করে ৷ ওই কাফেলার কুরায়শের বহু ব্যবসায়ী শামিল ছিল ৷ নেতৃত্বে ছিল আবু সুফিয়ান ৷ তার
সাথে প্রচুর রৌপ্য ছিল ৷ ঐগুলোই ছিল এই কাফেলার বড় মুলধন ৷ পথ চিনিয়ে দেয়ার জন্যে

তারা বকর ইবন ওয়ায়েল গোত্রের একজন লোক ৩ ৷ড়ায় নিযুক্ত করে ৷ত তার নাম ছিল ফুরাত ইবন
হায়্যা ন আ ৷জালী ৷ সে ছিল বানু সাহম গোত্রের মিত্র ৷

ইবন ইসহাক বলেন, রাসুলুল্পাহ্ (সা) যায়দ ইবন হারিছা (রা) এর নেতৃত্বে অভিযান প্রেরণ
করলেন ৷ কারাদা নামক জলাশয়ের নিকট তারা কুরায়শী কাফেলার সাক্ষাত পান ৷ কাফেলার
সকল মালামাল ও ধন-সম্পদ তারা অধিকার করেন ৷ কাফেলার লোকজন অবশ্য পালিয়ে যেতে
সক্ষম হয়েছিল ৷ যায়দ ইবন হারিছা (রা) ওই মালামাল নিয়ে এসে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট
জমা দেন ৷ এ প্ৰসংপে হযরত হাসৃসান ইবন ছাবিত (রা) নিম্নের কবিতা আবৃত্তি করেন :

সিরিয়া ৷র ঝর্ণাধারাগুলাে ছেড়ে৩ তারা অন্য পথে যাত্রা করেছে ৷ কারণ, ওই ঝর্ণাধারাগুলো দখল
করে রেখেছে বিশাল বিশাল উটবহ্র ৷ সেগুলোর অগ্নবর্তী দল গতৰিভী উটনীর মুখের ন্যায় ৷

ওই উটগুলে৷ রয়েছে এমন লোকদের হাতে যারা তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে হিজরত
করেছেন (মুহাজির) এবং যারা তার সত্য সাহায্যকারী (আনসার) ৷ আর এগুলো রয়েছে
ফেরেশতাদের হাতে ৷

ওগুলো আলিজ উপত্যকা থেকে যখন শুষ্ক জলাশয়ের দিকে যাত্রা করবে, তখন তোমরা
ওগুলোকে বলে দিও যে, রাস্তা সেদিকে নয় ৷

ইবন হিশাম বলেন, এ পংক্তিগুলাে হাস্সানের কবিতাসমুহের অন্তর্ভুক্ত
আবুসুফিয়ান ইবনুল হারিছ অবশ্য হাসৃসান (রা)-এর এই চরণগুলাের প্রতৃত্তের দিয়েছিল ৷

ওয়াকিদী বলেন, যায়দ ইবন হারিছা এই সেনা অভিযানে বেরিয়েছিলেন হিজরতের ২৮
মাসের মাথায় জুমাদাল উলা মাসের প্রথম দিকে ৷ কুরায়শী কাফেলা সম্পর্কে তার অভিমত হল
সাফওয়ান ইবন উমাইয়৷ তার নেতৃতৃ দিয়েছে ৷ যায়দ ইবন হারিছা (রা)-এ্যার সেনাপতিত্নে এই
অভিযান প্রেরণের পটভুমি হল নৃআয়ম ইবন মাসউদ তখন মদীনায় আগমন করেছিল ৷ সে তখন
ও তার পিতৃ ধর্মে বিশ্বাসী ৷ কুরায়শী ব্যবসায়ী কাফেলা ইরাকের পথে যাত্রা করেছে তা সে
জানত ৷ মদীনায় বানু নাযীর গোত্রে এসে সে কিনান৷ ইবন আবুল হুকায়ক এর সাথে বৈঠকে
মিলিত হয় ৷ তাদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সালীত ইবন নুমান আসলামী ৷ তারা সকলে মদপান
করল ৷ এ ঘটনা মদপান নিষিদ্ধ হওয়ার পুর্বেকার ৷ কুরায়শী কাফেলার যাত্রা, তাতে সাফওয়ান
ইবন উমাইয়ার নেতৃতৃদান এবং তাদের সাথে থাকা বিপুল মালামালের কথা নুআয়ম ইবন
মাসউদ ওই বৈঠকে আলোচনা করেছিল ৷ এসব শুনে সালীত ইবন নুমান (রা) কালবিলম্ব না করে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর দরবারে উপস্থিত হলেন ৷ তিনি সব কিছু রাসুলুল্লাহ্ (সা)-কে জানালেন ৷
তখনই রাসুলুল্লাহ্ (সা) যায়দ ইবন হারিছা (রা)-কে প্রেরণ করলেন ৷ তারা কাফেলাকে ধরে
ফেলেন এবং মালামাল হস্তগত করেন ৷ কাফেলার লোকজন অবশ্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় ৷

তারা একজন কিৎবা দৃ’জনকে বন্দী করে নিয়ে আসেন ৷ সব কিছু এসে তারা রাসুলুল্লাহ্ ( সা ) এর

নিকট জমা দেন ৷ বিধি অনুযায়ী রাসুলুল্লাহ্ (না) তার তত্ত্বাবধানে ব্যয় করার জন্যে মোট সম্পদের

ষ্ট৫ অংশ সংরক্ষিত রাখেন ৷ তার মুল্যমান ছিল ২০ হাজার দিরহাম ৷ অবশিষ্ট টু৫ অংশ তিনি
অভিযানে অংশ গ্রহণকারী মুজাহিদদের মধ্যে বণ্টন করে দেন ৷ বন্দীদের একজন হলেন ফুরাত

ইবন হাইয়ান ৷ তারপরে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন ৷ ইবন জারীর বলেন, ওয়াকিদীর৷ ধ ৷রণা এই

হিজরী বছরের (৩য় হিজরী) রাবীউল মওসুমে হযরত উছমান (রা) রাসৃলুল্লাহ্ (সা) এর কন্যা উম্মে

কুলছুম (বা ) কে বিয়ে করেন ৷ ওই বছর জুমাদ৷ ল আখির মাসে তাদের বাসর হয় ৷

কা ব ইবন আশরাফের হত্যার ঘটনা

কা ব ইবন আশরাফ বানু তায় গোত্রের লোক ৷ আর তায় গোত্র, বানু নাবহান গোত্রের শাখা
গোত্র ৷ কিন্তু তার যা ছিল বানুনাযীর গোত্রের ৷ ইবন ইসহাক এটি উল্লেখ করেছেন রানু নাযীর
গোত্রের দেশাম্ভরিত করার ঘটনা বর্ণনার পুর্বে ৷ তবে ইমাম বুখাৰী (র) কা ব ইবন আশরাফের
হত্যার ঘটনা উল্লেখ করেছেন বানু নাযীর গোত্রের দেশান্তরিত করার ঘটনা বর্ণনার পরে ৷ তবে
ইবন ইসহাকের বর্ণনাই সঠিক ৷ কারণ, বানুনাযীর গোত্রের ঘটনাটি ঘটেছিল উহুদের যুদ্ধের পর ৷
ওদের অবরাে ধ কালেই মদ নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান নাযিল হয় ৷ এসব বিষয় আমরা অবিলম্বে বংনাি
করব ইনশা আ ল্লাহ্ ৷

ইমাম বুথারী (র)৩ তার সহীহ্ গ্রন্থে বলেছেন, “কার ইবন আশরাফ হত্যাকাণ্ড বিষয়ক
অধ্যায় আলী ইবন আবদুল্লাহ জারির ইবন আবদুল্লাহ বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন,
কা ব ইবন আশরাফকে শায়েস্তা করার জন্যে কে আছো ? সে তো মহান আল্লাহ্কে এবং তার
রাসুলকে কষ্ট দিয়েছে ৷ তার কথা শুনে মুহাম্মাদ ইবন মাস্লামা (রা ) উঠে র্দাড়ালেন, তিনি
বললেন, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্! আমি তাকে হত্যা ৷করি৩ ৷কি আপনি পছন্দ করবেন ? রাসুলুল্লাহ্ (সা)
বললেন, হ৷ করব ৷ মুহাম্মাদ ইবন মাসলামা (রা) বললেন, তাহলে আমাকে এ অনুমতি দিন যে,
আমি তার সাথে কিছু কৌশলপুর্ণ কথা বলব ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, হা, তুমি যেমন বলতে
চাও তা বলবে ৷ সে মতে মুহাম্মাদ ইবন মাসলামা কাব ইবন আশরাফের নিকট গেলেন ৷ তিনি
তাকে লক্ষ্য করে বললেন, ওই লোকটি (মুহাম্মাদ) আমাদের নিকট সাদকা দাবী করেছে ৷ লোকটি
আমাদেরকে খুব কষ্ট দিচ্ছে ৷ আমি আপনার কাছে এসেছি কিছু ঋণ নেয়ার জন্যে ৷ সে বলল,
তাহলে তৃমিও পাল্টা তাকে কষ্ট দাও ৷ তিনি বললেন, অবশ্য আমরা তার আনুগত্য অবলম্বন
করেছি ৷ শেষ পরিণতি না দেখে তাকে ছেড়ে যাওয়া ভাল মনে করছি৷ না ৷ এখন আমি আপনার
নিকট কিছু ঋণ চাচ্ছি ৷ সে বলল, হ৷ ঋণ দিব তবে কিছু একটা বহ্মক রাখতে ৩হবে ৷ আমি
বাংলায়, কী বহ্মক রাখতে চান ? সে বলল, ৫৩ ৷মাদের শ্রীলোকদেরকে আমার নিকট বহ্মক
রাখবে ৷ মাসলামা (রা) ও তার সাথীগণ বললেন, আপনি (তা আরবের অন্যতম রুপবান পুরুষ ৷
আপনার নিকট আমাদের ঘরের ত্রীদেরকে বন্ধক রাখি কেমন করে ? সে বলল, তাহলে
তোমাদের সন্তানদেরকে বন্ধক রাখ ৷ তারা বললেন, সন্তানই বা বহ্মক রাখি কেমন করে ?
তাহলে লোকজন আমাদেরকে পানি দিয়ে আর বলবে দেখ দেখ, এক ওসক কিৎবা দুই ওসক
শস্যের জন্যে ছেলেদের বন্ধক দিয়েছে ৷ এটি হবে আমাদের জন্য লজ্জার বিষয় ৷ আমরা কিছু

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.