রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হযরত জাবির (রা)-এর উটের ঘটনা

হযরত জাবির (রা)-এর উটের ঘটনা

এবং সুরাটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিলাওয়াতে ক্ষাম্ভ দিতাম না ৷ তাতে আমার মৃত্যু হলেও কোন
পরােয়া ছিলনা ৷ ইবন ইসহাক তার মাগড়াযী গ্রন্থে এরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ ইমাম আবু দাউদ এই
হাদীছ আবু তাওবা ইবন ইসহাক সুত্রে বর্ণনা করেছেন ৷ ওয়াকিদী আবদুল্লাহ উমারী
— খাওয়াত সুত্রে সালাতুল খাওফের দীর্ঘ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ৷ উক্ত হাদীছে বর্ণনাকারী
বলেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) ওই অভিযানে শত্রুপক্ষের বহু মহিলাকে বন্দী করেন ৷ বন্দী
মহিলাদের মধ্যে জনৈকা সুন্দরী দাসী ছিল ৷ তার স্বামী তাকে খুব ভালবড়াসত ৷ ত্রীর বন্দীর সংবাদ
শুনে সে শপথ করে বলেছিল সে মুহাম্মাদ (সা)-কে খুজে বের করবে এবং ওদের কারো না
কারো রক্ত প্রবাহিত না করে অথবা নিজের ত্রীকে উদ্ধার না করে :স ঘরে ফিররে না ৷ এর পরের
বর্ণনা মুহাম্মাদ ইবন ইসহাকের বর্ণনার অনুরুপ ৷

ওয়াকিদী বলেন, হযরত জাবির (বা) বলতেন যে, আমরা রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে ছিলাম ৷
জনৈক সাহাবী একটি পাখীর ছানা নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো শু রাসুলুল্লাহ্ (সা) সেদিকে
তাকিয়েছিলেন ৷ অল্পক্ষণের মধ্যে ছানাটির বড়াবা-মা অথবা তাদের কোন একটি সেখানে উড়ে
এসে সংশ্লিষ্ট সাহাবীর হাতে এসে বসে পড়ে ৷ এ ঘটনায় উপস্থিত সাহাবীগণ বিস্মিত হয়ে পড়েন ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, পাখীটিব অবস্থা দেখে তোমরা অবাক হচ্ছ ? তোমরা তার ছানাটি নিয়ে
এসেছ আর সন্তান বাৎসল্যের কারণে পাথীটি নিজের জীবন তুচ্ছ জ্ঞান করে তোমাদের সম্মুখে
লুটিয়ে পড়েছেন ৷ জেনে নাও, আল্লাহ্র কসম করে বলছি এই ছানাটির প্রতি পাখীটিব মমতা
যতটুকু তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রভু ও মালিক আল্লাহ তাআলার দয়া তার চাইতে বহুগুণ
বেশী ৷

হযরত জাবির (বা) এর উটের ঘটনা

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেন, ওয়াহ্ব ইবন কায়সান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির
ইবন আবদুল্লাহ সুত্রে তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর সাথে যাতুর রিকা অভিযানে বের
হই ৷ আমি বের হয়েছিলাম আমার একটি দুর্বল উটের পিঠে চড়ে ৷ অভিযান শেষে ফেরার পথে
আমার সাথী-সঙ্গীরা দ্রুত অগ্রসর হচ্ছিল ৷ আর আমি দুর্বল উটের কারণে বার বার পিছিয়ে
পড়ছিলড়াম ৷ এ অবস্থায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) পেছনে থেকে অগ্রসর হয়ে আমার নিকট পৌছে গেলেন ৷
তিনি আমাকে বললেন, জাবির ! ব্যাপার কী ? আমি বললাম , ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সা) ! আমার এই
উট আমাকে পেছনে ফেলে রেখেছে ৷ তিনি বললেন, উটটিকে বসাও ৷ জাবির (বা) বলেন, আমি
আমার উটটিকে বসালাম এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা) ও তার বাহন থামালেন ৷ তিনি আমাকে বললেন,
তোমার হাতের ছড়িটি আমাকে দাও অথবা একটি গাছের ডাল ভেঙ্গে এনে আমাকে দাও ৷ আমি
তাই করলাম ৷ তিনি সেটি দ্বারা উটকে কয়েকটি খোচা মারলেন ৷ তারপর আমাকে বললেন,
এবার তুমি উটের পিঠে উঠে বস ৷ আমি উটের পিঠে উঠলাম ৷ উটটি চলতে শুরু করল ৷ যে
মহান সত্তা রাসুলুল্লাহ্ (সা)-কে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন তার কসম করে বলছি, রাসুলুল্পাহ্
(সা) এর উটের সাথে সাথে তখনই আমার উটটিও চলতে থাকে ৷ আমি চলতে চলতে
রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে আলাপ করছিলাম ৷ তিনি বললেন, হে জাবির ! তুমি কি এই উট আমার
কাছে বিক্রি করবে ? আমি বললাম , ত্মী না বিক্রি করব না; বরং সেটি আপনাকে উপচৌকন স্বরুপ

দিয়ে দেব ৷ তিনি বললেন, না দান নয়; বরং সেটি আমার নিকট বেচে দাও ন্ন্ এবার আমি বললাম ,
তবে মুল্য নির্ধারণ করুন ৷ তিনি বললেন, ঠিক আছে এক দিরহামের বিনিময়ে আমি উটটি গ্রহণ
করলাম ৷ আমি বললাম, না ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সা) ! তাহলে আমি ঠকে যাব ৷ তিনি বললেন, তবে
দু দিরহামে ? আমি বললাম , না তাও নয় ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) অ্যাবরত দাম বৃদ্ধি করতে
লাগলেন ৷ শেষ পর্যন্ত বললেন, এক উকিয়ার তথা (চল্লিশ দিরহামের) বিনিময়ে ৷ আমি বললাম,
তাতে কি আপনি খুশী ? তিনি বললেন, হী আমি খুশী ৷ আমি বললাম, তবে এই উটের মালিক
হলেন আপনি ৷ তিনি বললেন, হী আমি তা গ্রহণ করলাম ৷ এরপর তিনি বললেন হে, জাবির ! তুমি
কি ব্যিয় করেছ স্ আমি বললাম, জী হী ৷ ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সা) ৷ তিনি ৷ৰুৰুট্রুজ্জ্বজ্ঞেস করলেন কুমারী
নিয়ে না কি বিবাহিতা ? আমি বললড়াম , বিবাহিতা ৷ তিনি বললেন কুমারী বিয়ে করলে না কেন ?
তাহলে তুমি ওর সাথে আনন্দ করতে সে তোমাকে নিয়ে আনন্দ করত ৷ আমি বললাম, ইয়া
রাসুলাল্লাহ্ (সা) আমার আব্বজােন উহুদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন ৷ তিনি ৭টি কন্যা সন্তান রেখে
গিয়েছেন ৷ তাই আমি একজন বয়স্কা মহিলা বিয়ে করেছি যাতে যে ওদেরকে দেখা শোনা ও
তত্ত্বাব ধান করতে পারে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, এটি তুমি ইনশাআল্লাহ্ ঠিক কাজটি করেছ ৷
আমরা যখন সিরার নামক স্থানে পৌছব তখন আমি উট যবাই করার নির্দেশ দেব ৷ সেখানে উট
যবাই হবে এবং একদিন সেখানে আমরা থাকবাে ৷ ওই দিন আমরা ওখানে থাকর ৷ তোমার শ্রী
আমাদের আগমন সংবাদ শুনলে তার গদিগুলো ঝেড়ে নেবে, আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ
(সা) ! আমাদের তো কোন গদি নেই ৷ তিনি বলেন, এখন না থাকলেও তখন থাকবে ৷ আর তুমি
যখন শ্ৰীর নিকট যাবে তখন বুদ্ধিমত্তার সাথে বিবেচনা সম্মত কাজ করবে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) সহ
আমরা “সিরার” নামক স্থানে এলাম , তিনি উট যবাই করার নির্দেশ দিলেন ৷ উট যবাহ করা হল ৷
আমরা সেদিন ওখানে থাকলাম ৷ সন্ধাবেল৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ও আমরা সকলে মদীনায় প্রবেশ
করলাম ৷ বাড়ী গিয়ে আমার ত্রীকে আমি সব খুলে বলি, যে বলল, ঠিক আছে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
নির্দেশ শিরাে ধার্য ৷ সকাল বেলা আমি উটটি নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করি ৷ তীর
দরজায় গিয়ে আমি উটটিকে বসিয়ে দিই ৷ তারপর নিজে মসজিদে গিয়ে র্তার কাছেই বসি ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) হুজরা থেকে বের হয়ে উটটি দেখতে পান ৷ তিনি বললেন, এটি কার উট ?
ব্যাপার কী ? লোকজন বলল, এটি জাবিরের উট ৷ তিনি নিয়ে এসেছেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন,
জাবির কোথায় ? আমাকে ডাকা হল ৷ তারপর তিনি আমাকে বললেন, ভাতিজা ! তু তোমার
উটটি ধর এবং নিয়ে যাও ৷ এটি ভোমারই থাকবে ৷ এরপর তিনি হযরত বিলাল (রা)শ্কে ডেকে
বললেন , যাও , জাবিরকে এক উকিয়া (৪ : দিরহাম) দিয়ে দাও ৷ হযরত জাবির (রা) বলেন, আমি
বিলালের সাথে গেলাম ৷ তিনি আমাকে এক উকিয়া দিলেন বরং ধি১দ্বু৮৷ বেশী দিলেন ৷ আল্লাহর
কসম ! সেটি আমার নিকট ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল ৷ আমার পরিবারের মধ্যে মুদ্রাটির একটি
আলাদা মর্যাদা ছিল ৷ অবশেষে হাররা দিবসের বিশৃৎখলায় সেটি হারিয়ে যায় ৷ ইমাম বুখারী (র)
এই হড়াদীছ উবায়দুল্লাহ ইবন উমার আমবী জাবির (রা ) সুত্রে অনুরুপ উদ্ধৃত করেছেন ৷

সুহায়লী বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) হযরত জাবির (রা)-কে তার পিতা সম্পর্কে যে সুসংবাদ
দিয়েছিলেন এই হাদীছে সেদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন যে , আল্লাহ

তা আল৷ জ বির (রা) এর পিতা আবদুল্লাহ্কে শহীদ হওয়ার পর জীবিত করেছিলেন এবং
বলেছিলেন, তুমি তোমার আকাৎখ৷ ব্যক্ত কর ৷ এ জন্যে যে,৩ তিনি ছিলেন শহীদ ৷ শহীদদের
সম্পর্কে আল্লাহ্ তাআল৷ বলেছেন :

আল্লাহ তা অ লা মু মিনদের নিকট হতে৩ তা দের জীবন ও সম্পদ ক্রয় করে নিয়েছেন তাদের
জন্যে এর বিনিময়ে রয়েছে জান্নড়াত ৷ তারা আল্লাহ্র পথে সংগ্রাম করে , নিধন করে এবং নিহত
হয় ৷ তাওরাত ইনজীল ও কুরআনে এ সম্পর্কে তাদের দৃঢ় প্ৰ শ্©শ্রুর্ভি রয়েছে ৷ নিজ প্রতিজ্ঞা
পালনে আল্লাহ্ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর কে রয়েছে ? তোমরা যে সওদা করেছ সেই সওদার জন্যে
আনন্দ কর এবং সেঢিই মহা সাফল্য ৷ (৯-সুরা তাওবা : ১ ১ ১ ) অন্য এক বাণীতে আল্লাহ
তাআল৷ তাদের জন্যে আরো অধিক পুরস্কারের কথা বলেছেন ৷ তার বলেছেন ং

যারা ভাল কাজ করে তাদের জন্যে আছে কল্যাণ এবং আরো অধিক ৷ ( ১ : ইউনুসং : ২৬) ৷
এরপর তিনি তাদেরকে মাল ও মুল্য অর্থাৎ উভয় বিনিময় প্রদান করেছেন ৷ তিনি তাদের থেকে
ক্রয় করা রুহগুলো তা ৷দের নিকট ফিরিয়ে দিয়েছেন ৷ আল্লাহ তা আলা বলেনং :

যারা আল্লাহর পথে নিহত হয় তাদেরকে মৃত মনে করে৷ না ৷ তা ৷র৷ বরং জীবিত ৷ তাদের
প্ৰতিপ৷ ৷লকের নিকট জীবিকাপ্রাপ্ত ৷ (৩ আলে ইমরান৪ ১৬৯) ৷

মানুষের জন্যে রুহ হল বাহনের ন্যায় ৷ উমর ইবন আবদুল আষীয তাই বলেছেন ৷ সুহায়লী
বলেন , এ জন্যে রাসুলুল্লাহ্ (সা) জাবির (রা) থেকে উটটি ক্রয় করেছিলেন সেটি ছিল তার বাহন ৷
এরপর উট ও দিলেন, মুল্যও দিলেন এবং কিছুটা অতিরিক্তও দিলেন, এ ঘটনার মধ্যে তার পিতা
সম্পর্কে দেয়৷ সুসৎবাদের বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ৷ সুহায়লী এখানে যে মন্তব্য করেছেন তা
অবশ্য খুবই সুক্ষ্ম ইঙ্গিত এবং অভুতপুর্ব চিন্তাধারা ৷ আল্লাহ তাআলাই ভাল জানেন ৷

বায়হাকী (র) তার দালাইল গ্রন্থে এই যুদ্ধের অধ্যায়ে উপরোক্ত হাদীছ দ্বারা শিরোনাম তৈরী
করেছেন ৷ তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধে জাবির (রা)-এর উটকে কেন্দ্র করে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
প্রকাশিত বরকত ও নিদর্শনসমুহ বিষয়ক পরিচ্ছেদ ৷ হযরত জা ৷বির (রা ) থেকে এই হাদীছ বিভিন্ন
সনদে এবং বিভিন্ন পাঠে বর্ণিত হয়েছে ৷ উটের মুল্য এবং নির্ধারিত শর্ত বিষয়ে হাদীছটিতে বিভিন্ন
প্রকারের মতভেদ রয়েছে ৷ অবশ্য এগুলো নিয়ে বিস্তারিত ও পরিপুর্ণ লেখার স্থান হল বিধি-বিধান
অ ধ্যাযেব ক্রয়-বিক্রয় পর্ব ৷ আ ৷ল্লাহ্ইত৷ ৷ল জানেন ৷ কোন বর্ণনায় আছে যে এ ঘটনা এই যুদ্ধে
ঘটেছে আবার কো ন বর্ণনায় আছে যে, অন্য যুদ্ধে ঘটেছে ৷ একই ঘটনা বার বার ঘটেছে তার
সম্ভাবনা একা ৷ম্ভই ক্ষীণ ৷ আল্লাহ্ইত৷ ৷ল জা নেন ৷

দ্বিতীয় বদর যুদ্ধ

এটি ছিল সেই প্রতিশ্রুতি যুদ্ধ উহুদ থেকে ফেরার পথে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল ৷ ইবন
ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) যাতুর রিকা অভিযান শেষে মদীনায় ফিরে এলেন ৷ জুমাদাল উলা
মাসের অবশিষ্ট দিনগুলো, জুমাদাল উখরা মাস এবং রজব মাস তিনি মদীনায় অবস্থান করেন ৷

আবু সুফিয়ানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধ মুকাবিলার জন্যে তিনি বদরের উদ্দেশ্যে যাত্রা
করেন শাবান মাসে ৷

ইবন হিশাম বলেন, এ অভিযানকালে মদীনায় দায়িত্বভার দেয়৷ হ্ন্থয়ছিল আবদুল্লাহ্ (রা) ইবন
আবদুল্লাহ ইবন উবাই ইবন সালুলকে ৷ ইবন ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ ৷ সা) বদর প্রান্তরে এসে
শিবির স্থাপন করেন এবং আবু সুফিয়ানের আগমন অপেক্ষায় ৮ দিন ৷ন্ন্খানে অবস্থান করেন ৷
মক্কাবাসীদেরকে নিয়ে আবু সুফিয়ান যুদ্ধের জন্যে বের হয় ৷ যাহরানের এক পাশে মাজিন্ন৷ নামক
স্থানে এসে তারা শিবির স্থাপন করে ৷ কেউ কেউ বলেছেন যে, তারা উছফান পর্যন্ত এসেছিল ৷
তারপর সে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ৷ সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে সে বলল, হে কুরায়শ সম্প্রদায় ৷
স্বচ্ছলতার বছর ছাড়া যুদ্ধ করা সমীচীন হবে না ৷ বরং যে বছর তৃপ্তি সহকারে পশুপালকে
ঘাসপাত৷ খাওয়াতে পারবে এবং তোমরা ইচ্ছামত দুধ পান করতে পারবে সে বছরই যুদ্ধ করা
ভাল হবে ৷ এই বছরটি বড় দৃর্ভিক্ষের ৷ আমি এখন ফিরে যাচ্ছি তোমরাও ফিরে যাও ৷ ফলে
কুরায়শরা ফিরে গেল ৷ ফিরে যাওয়া সেনাদলকে মক্কাবাসিগণউপহাস করে “ছাতৃবাহিনী” নামে
ডাকত ৷ আর বলত যে, তোমরা তো ছাতৃ খেয়ে খেয়ে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলে ৷

এক পর্যায়ে মাখশা ইবন আমর দিমারী রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট উপস্থিত হয় ৷ ওয়াদ্দান
যুদ্ধের সময় সে বানু দিমারা গোত্রের পক্ষে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে মৈত্রী চুক্তি সম্পাদন
করেছিল ৷ সে বলল, হে মুহাম্মাদ! কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করার জন্যে কি আপনি এখানে
এসেছেন ? রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, ওহে বাবু দিম৷ ৷রা গোত্রের লোক আমরা যুদ্ধ করতে এসেছি ৷
তোমাকে এও জা ৷নিয়ে দিচ্ছি যে, তোমাদের সাথে আমাদের যে চুক্তি ছিল ইচ্ছা ৷করলে তোমরা
তা প্রত্যাহার করে নিতে পার ৷ আর তখন আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব যতক্ষণ না
আল্লাহ্ আমাদের ও তোমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেন ৷ সে বলল, না হে মুহাম্মাদ আল্লাহ্র
কসম! ওই চুক্তি প্রত্যাহারের আমাদের কোন প্রয়োজন নেই ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনায়
ফিরে আসেন ৷ ফিরতি পথে কোন ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার সম্মুখীন হননি ৷

ইবন ইসহাক বলেন, মুসলমানগণ আবু সুফিয়ানের অপেক্ষায় থাকা ৷এবং সৈন্যবাহিনী সহ
আবু সুফিয়ানের ফিরে যাওয়া র ঘটনা সম্পর্কে আবদৃল্লা হ্ ইবন রাওয়াহা (রা) নিম্নের কবিতা আবৃত্তি
করেন ৷ ইবন হিশাম বলেন, আবু যা য়দ আমাকে জানিয়েছেন যে , নিম্নের কবিতাটি আসলে কা ব
ইবন মালিকের ৷ করি বলেন :

আমরা আবু সুফিয়ানকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম বদর প্রান্তরে উপস্থিত হবার ৷ কিন্তু আমরা
তার প্রতিশ্রুতির সত্যতা পাইনি ৷ সে প্রতিশ্রুতি পালনকারী ছিল না ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.