রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হিজরী চতুর্থ সন

হিজরী চতুর্থ সন

ঐ যুদ্ধে আবুইয়ালা (রা) ও শহীদ হন ৷ তাকে আবু উমারাও বলা হতো ৷ ওই যুদ্ধে আল্লাহর
সিংহ এবং রাসুলের সিংহ উপাধিপ্রাপ্ত রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর চাচা হামযা (রা ) শহীদ হন ৷ হযরত
হামযা (বা) এবং আবু সালামা ইবন আবদ্যু৷ আসাদ দুজনই রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর দুধ ভাই ছিলেন ৷
আবু লাহাবের দামী ছুওয়ায়বা তাদের তিনজনকে স্তন্যদান করেছিলেন ৷ বুখারী ও মুসলিমের হাদীছ
দ্বারা তা প্রমাণিত ৷ এই তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায় যে, হযরত হামযা (রাঃ যে দিন শহীদ হন যে
দিন তার বয়স পঞ্চাশ অতিক্রম করেছিল ৷ তিনি ছিলেন সাহসী বীর এবং প্রথম কাতারের
সিদ্দীক ৷ সেদিন তিনি সহ ৭০ জন সাহাবী (রা) শহীদ হন ৷ ওই বছরই রাসুলের কন্যা হযরত
উছমানের শ্রী রুকইিয়া (রা) ইনতিকাল করেন এবং তার ইনতিকালের পর হযরত উছমান (রা)
রাসুল-কন্যা উম্মু কুলছুম (রা)-কে বিবাহ করেন ৷ এই আক্দ সম্পন্ন হয় তৃভীয় হিজরী সনের
রবীউল আওয়াল মাসে ৷ তাদের বাসর সম্পন্ন হয় ওই বছর জুমাদাল উখৃরা মাসে ৷ বিষয়টি
ইতোপুর্বে আলোচিত হয়েছে ৷

ইবন জারীর বলেছেন, তৃতীয় হিজরীতে আলী ও ফাতিমা (রা)এর পুত্র হাসানের জন্ম হয় ৷
ওই বছরই ফাতিমা (রা) হুসায়নকে গর্ভে ধারণ করেন ৷

হিজরী চতুর্থ সন

এ বছর মুহাররম মাসে আবু সালামা ইবন আবদুল আসাদ আবু তৃলায়হা আসাদীর নেতৃত্বে
একটি অভিযান প্রেরিত হয় ৷ তারা “কাতান নামক স্থানে শিবির স্থাপন করেন ৷ এ প্রসংগে
ওয়াকিদী বলেন, উনার ইবন উছমান বর্ণনা করেছেন, সালামা ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমার ইবন
আবুসালামা প্রমুখ থেকে ৷ তারা বলেছেন যে , হযরত আবু সালামা উহুদ যুদ্ধে ৎশ নিয়েছিলেন ৷
যুদ্ধে তিনি বাহুতে প্রচণ্ড আঘাত পান ৷ এক মাস ষাবত চিকিৎসা চলে ৷ হিজরতের ৩৫ মাসের
মাথায় মুহাররম মাসে রাসুলুল্লাহ (মা) তাকে ডেকে বললেন, এই অভিযান নিয়ে তুমি বের হও ৷
আমি তোমাকে ওদের নেতা মনোনীত করলাম ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজে পতাকা বেধে দেন ৷ তিনি
বললেন, নির্ধারিত মুজাহিদদেরকে নিয়ে তুমি যাত্রা কর ৷ বনু আসাদ গোত্রে পৌছে তোমরা
ওদেরকে আক্রমণ করবে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) আবুসালামা এবং তার সাথীদেরকে তাকওয়া অবলম্বন
ও সৎ কাজের উপদেশ দিলেন ৷ ১৫০ জন মুজাহিদ নিয়ে আবু সালামা “কাতানে শিবির স্থাপন
করেন ৷ সেটি ছিল বনু আসাদ গোত্রের একটি জলাশয় ৷ ওখানে অবস্থান করছিল শত্রুপক্ষ
থুওয়াইলিদের পুত্রদ্বয় তৃলায়হা আসাদী এবং তার ভাই সালামা ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা )-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করার জন্যে বনু আসাদ গোত্রের সকল মিত্র গোত্রকে একত্রিত করেছিল ৷ ওদেরই একজন লোক
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকট উপ ত হয়ে তৃলায়হা ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে যুদ্ধ প্রন্তুতির সংবাদ
তাকে জানায় ৷ ওই লোকের সাথেই তিনি আবু সালামার নেতৃত্বে অভিযান প্রেরণ করেন ৷

মুসলিম বাহিনী ওখানে পৌছার পর শত্রুপক্ষ ভয় পেয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায় ৷ তারা বহু
ধন-সম্পদ ফেলে যায় ৷ তার মধ্যে ছিল উট, বকরী ইত্যাদি ৷ আবুসালামা (রা) ও তার সাথীগণ
ওইসব ধন-সম্পদ দখল করে নেন ৷ তারা তিনজন ক্রীতদাসকে বন্দী করেন ৷ শত্রুপক্ষ পালিয়ে
যাওয়ার পর দলবলসহ আবুসালামা (রা) মদীনায় দিকে ফিরতি যাত্রা করেন ৷ আসাদ গোত্রের যে

ব্যক্তি গোপন সংবাদ জানিয়েছিল গনীমতের সাল থেকে প্রচুর পরিমাণ সম্পদ তাকেও দেওয়া হয় ৷

রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর জন্য একটি ক্রীতদাস এবং বিধিমুতাবিক মোট সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ
রেখে দেওয়া হয় ৷ অবশিষ্ট মালামাল অভিযানে অংশ গ্রহণকারী মুজাহিদদের মধ্যে বন্টন করে
দেওয়া হয় ৷ তারপর তারা মদীনায় ফিরে এলেন ৷

উমর ইবন উছমান বলেন, আবদুল মালিক উমর ইবন আবু সালাম৷ (র৷ ) থেকে বর্ণিত যে,
তিনি বলেছেন, উহুদ যুদ্ধে যে কাফিৱ আমার পিতাকে যখন করেছিল যে ছিল আবু উসমাে
জাশামী ৷ প্রায় এক মাস যাবত আমার পিতা ওই যখমের চিকিৎসা করল ৷ তারপর তিনি সুস্থ হয়ে
উঠলে রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাকে কতোন এলাকায় প্রেরণ করেন ৷ সময়টি জ্জি ৪র্থ হিজরীর মুহাররাম
মাস ৷ সফর উপলক্ষে দশ দিনের অধিরুহ্মাল তিনি মদীনায় বাহিরে ছিলেন ৷ মদীনায় প্রুত্যাবর্তনের
পর তার ক্ষতস্থান আবার দগদাগ হয়ে উঠে ৷ অবশেষে জুমদোল উলা মাসের তিনদিন অবশিষ্ট
থাকতে তার ইনতিকাল হয় ৷ উমর ইবন আবুসালামা বলেন আমার পিতার মৃত্যুতে আমার যা
যথারীতি ইদ্দত পালন করেন ৷ : মাস ১০ দিন ইদ্দত পালন্ণ্নর পর রাসুলুল্লাহ্-র সঙ্গে পরিণয়
সুত্রে আবদ্ধ হন ৷ শাওয়াল মাসের শেষ দিকে তাদের বাসর হয় ৷ এ প্রেক্ষিতে আমার মা বলভেন
“শাওয়াল সালে বিয়ে অনুষ্ঠান এবং বাসর উদযাপনে কোন দোষ নেই ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাকে
বিয়ে করেছেন শাওয়াল মাসে এবং ঐ মাসেই আমাদের বাসর হয় ৷ বর্ণনকােরী বলেন, ৫৯ হিজ্জী
সনের যিলকদ-মাসে উম্মু সালমো (রা)-এর ওফাত হয় ৷ বায়হাকী (র) এটি বর্ণনা করেহ্নে৷ ৷ আমি
বলি, ৪র্থ হিজরী সনের শেষের দিকের ঘটনাবলী উল্লেখ করার সময় শাওয়াল মাসে উম্মু সালামার
সাথে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর বিবাহ এবং এতদৃসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় যেমন মায়ের বিয়েতে পুক্রো
অভিভাবকভু, এ বিষয়ে উলামা-ই কিরামের মতভেদ ইত্যাদি উল্লেখ করব ইনশাআল্লাহ্ ৷

রাজীর লোমহর্ষক ঘটনা

ওয়াকিদী বলেন, এই ঘটনাটি ঘটেছিল : র্থ হিজরী সনের সফর মাসে ৷ রাসুলল্লাহ্ (সা) ওই
জামাআতকে প্রেরণ করেছিলেন মক্কাৰাসীদের প্রতি ৷ রাব্জী হল উছফান থেকে ৮ ম্াইলের
ব্যবধানে অবস্থিত একটি কুয়াে ৷ ইমাম বুখারী (র) বলেন, ইবরাহীম আবু হুরায়রা (রা)
সুত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) একদল গুপ্ত-চর পাঠিয়েছিলেন ৷ তাদের নেতা
মনোনীত করেছিলেন আসিম ইবন ছাৰিতকে ৷ আসিম ইবন ছাবিত ছিলেন আসিম ইবন উমার

বদৃযায়ল গোত্রের এক উপগােত্র বনু লাহয়ান তাদের উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত হয় ৷ ফলে ঐ
গোত্রের প্রায় একশ’ তীরন্দাজ ব্যক্তি ঐ ঘুসলিম জামাআতাক আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বের হয় ৷
তাদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে শত্রুপক্ষ অগ্রসর হয় ৷ এক জায়গায় এসে তারা যাত্রা বিরতি করে ৷
সেখানে তারা কতক খেজুর বীঢি দেখতে পায় ৷ তারা বল্মবলি করতে লাগলো ওগুলে৷ তো
দেখছি মদীনায় খেজুর ৷ সফরের খাদ্য হিসেবে আসিম (বা ) ও তার সাথীরা সেগুলো সঙ্গে
এসেছিলেন ৷ দ্রুত বো:গ তারা ঐ জামলোতের পশ্চাদ্ধাবন করে ৷ তারা তাদের কাছে পৌছে
পেল ৷ আসিম ও তার সাথিগণ উপায়ান্তর না দেখে ফদ ফদ নামক একটি উচু টিলায় উঠে যায় ৷
শত্রুপক্ষ তাদেরকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে ৷ ওরা বলল, আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে তোমরা
যদি আমাদের নিকট আত্মসমর্পণ কর ৷ তার আমরা তোমাণ্দর কাউকে হত্যা করব না ৷ ষ্লেনেতা

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.