রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

হিজরী ষষ্ঠ সালে সংঘটিত অন্য ঘটনাবলী

হিজরী ষষ্ঠ সালে সংঘটিত অন্য ঘটনাবলী

হিজরী ষষ্ঠ সালে সংঘটিত অন্য ঘটনাবলী

এ বছর হুদায়বিয়ার দিনগুলোতে হজ্জ ফরয হওয়া সম্বলিত আয়াত নাযিল হয় ৷ ইমাম শাফিঈ
(র) এটা সপ্রমাণ করেন ৷ আল্লাহ্ বলেন :

“তোমরা আল্লাহ্র জন্য হজ্জ ও উমরা পরিপুর্ণ কর ৷ এ কারণে ইমাম শাফিঈ
(র)-এর মতে হজ্জ তাৎক্ষণিকভাবে ফরয নয় বরং বিলন্বে আদায় করলেও চলবে ৷ কারণ, নবী
করীম (না) হিজরী ১০ সনে ছাড়া আর কোন হজ্জ করেননি ৷ পক্ষাতরে অন্যান্য তিন ইমাম-
ইমাম মালিক (র) ইমাম আবুহানীফা (র) এবং ইমাম আহমদ (র) )-এ্যা মতে সামথবািন ব্যক্তির
উপর তাৎক্ষণিকতাবে হজ্জ ফরয হয়ে যায় ৷ তাদের মতে উপরোক্ত আয়াত দ্বারা তাৎক্ষণিকভাবে
হজ্জ ফরয হওয়া প্রমাণ হয় না ৷ তাদের মতে উপরোক্ত আরবে; দ্বারা হজ্জ শুরু করার পর তা

সমাপ্ত করইি কেবল প্রমাণিত হয় ৷ ইমামত্রয়ের যুক্তি-প্রমাণের অনেকাংশ আমরা আমাদের রচিত
তাফসীর গ্রন্থে সবিস্তারে আলোচনা করেছি ৷

একই বছর মুসলিম নারীদের মুশরিক পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে ৷ বিশেষ করে
হুদায়বিয়া ৷র বছরে সষ্প৷ ৷দিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, আমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তোমার
কাছে আসবে সে তোমার ধর্মের অনুসারী হয়ে থাকলেও তুমি অবশ্যই তাকে আমাদের নিকট
ফেরত দেবে ৷ এ চুক্তি সম্পাদনের পর আল্লাহ্৩ তা জানা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন :

-হে মুমিনগণ মুমিন নাবীরা তোমাদের নিকট হিজরত করে আসলে তাদেরকে তোমরা
পরীক্ষা করবে ৷৩ তাদের ঈমান সম্পর্কে আল্লাহ্ই ভাল জানেন ৷ যদি তোমরা জানতে পার যে, তারা
মু মিন তবে তাদেরকে কাফিরদের নিকট ফেরত পাঠাবে না ৷ মু’মিন নারীগণ কা ৷ফিরদের জন্য
হালাল নয়, আর কাফির পুরুষগণও মু’মিন নারীদের জন্য হালাল নয় ৷ কাফিররা যা কিছু ব্যয়
করেছে তাদেরকে তা ফেরত দেবে ৷ তারপর তোমরা তাদেরকে বিবাহ করলে তোমাদের কোন
অপরাধ হবে না যদি তোমরা তাদেরকে তাদের মহর দাও ৷ তোমরা কাফির নারীদের সঙ্গে
দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখবে না ৷ তোমরা যা কিছু ব্যয় করেছ তা ফেরত চাইবে এবং কাফিররা
যা ব্যয় করেছে তারা তা ফেরত চাইবে ৷ এটাই আল্লাহ্র হুকুম; তিনি তোমাদের মধ্যে ফায়সালা
করেন ৷ আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ প্ৰজ্ঞাময় ৷ তোমাদের শ্রীদের মধ্যে যদি কেউ হাত ৩ছাড়া হয়ে কাফিরদের
নিকট থেকে যায় আর তোমাদের যদি সুযোগ আসে তখন যাদের শ্রী হাতছাড়া হয়ে গেছে
তাদেরকে তারা যা ব্যয় করেছে তার সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করবে ৷ আল্লাহ্কে ভয় কর, যার প্রতি
তোমরা ঈমান এনেছো ৷ (৬০ মুমতাহানা ১০)

একই বছরে মুরাইসী অভিযান পরিচালিত হয় ১ যাতে অপবাদ আরােপের ঘটনা ঘটে ৷ এ
১ টীকা : ইতিহাসে এটা বনী ঘুস্তালিক যুদ্ধ নামেও পরিচিত ৷ সম্পাদক

প্রসঙ্গে উম্মুল মু’মিনীন হযরত আইশা সিদ্দীকা (রা)-এর নির্দোষিতা প্রমাণ করে আয়াত নাযিল
হয় ৷ এ সম্পর্কে ইতিপুর্বে আলোচনা করা হয়েছে ৷ এ বছর উমরাতুল হুদায়বিয়া’ সংঘটিত হয়,
মুশরিকরা রাসুলুল্লাহ্ (সা )-কে উমরা পালন করতে বাধা দেয় এবং দশ বছরের জন্য যুদ্ধ বন্ধের
অঙ্গীকারসহ সন্ধি স্থাপিত হয় ৷ ফলে লোকেরা পরস্পরে নিরাপত্তা লাভ করে ৷ এ সময় কেউ
কারো উপর তরবারি উত্তোলন করবে না এবং কেউ কারো সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গও করবে না ৷ এ বিষয়ে
যথাস্থানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ৷ এ বছর ও মুশরিকরা হাজ্জর তত্ত্বাবধান করে ৷

ওয়াকিদী বলেন : রাসুলুল্লাহ্ (সা) এ বছর যিলহজ্জ মাসে ৬ জন দৃতকে পত্রসহ বিভিন্ন রাজ
দরবারে প্রেরণ করেন, এরা হলেন ১ হাতির ইবন আবুবালতাআকে আলেকজাদ্রিয়ার শাসনকর্তা
মুকাওকিসের প্রতি ২ বদর সময়ে অংশ গ্রহণকারী শুজা ইবন ও হব ইবন আসাদ ইবন
জুযাইমাকে হারীস ইবন আবুশামির আল-গাসসানীর প্রতি ৷ অর্থাৎ ইনি ছিলেন আরবের খৃস্টানদের
বাদশাহ ৷ ৩ দিহ্ইয়া ইবন খলীফা আল-কালবীকে রোম ন্ম্রাট হিরাক্লিয়াসের প্রতি ৷ : আবদৃল্লাহ্
ইবন হুযায়ফা সাহমীকে পারস্য সম্রাট কিসৃরার প্রতি , ৫ হাওয়া ইবন আলী আল হানাফীর প্রতি
সালীত ইবন আমৃর আল-আমিরীকে এবং ৬ আবিসিনিয়ার ইথিওপিয়া খৃষ্টান শাসক নাজাশীর প্ৰতি
আমৃর ইবন উমাইয়া আদৃদিমারীকে ৷ ঐ নাজাশীর আসল নাম ছিল আসহামা ইবন হ্ব ৷

সপ্তম হিজরী সনের শুরুতে সংঘটিত খায়বর যুদ্ধ

মহান আল্লাহর বাণী আবদুর রহমান
ইবন আবু লায়লা সুত্রে বর্ণনা করেন যে, এখানে বলে খায়বরকে বুঝানো
হয়েছে ৷ মুসা ইবন উকবা বলেন : রাসুল করীম (সা) হুর্দায়বিয়া থেকে প্রত্যাবর্তন করে ২০ দিন
অথবা এর কাছাকাছি সময় মদীনায় অবস্থান করে খায়বরের উদ্দেশ্যে বের হন ৷ আর আল্লাহ্
তাআলা তার রাসুলুল্লাহ্ (না)-কে এ খায়বরের বিজয়েরই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ৷ মুসা যুহ্রী
সুত্রে বর্ণনা করেন যে , হিজরী ষষ্ঠ সনে খায়বর বিজয় সম্পন্ন হয় ৷ আর বিশুদ্ধ মতে এ বিজয় হয়
সপ্তম হিজরীর শুরুতে ৷ যেমনটি আমরা এইমাত্র উল্লেখ করেছি ৷ ইবন ইসহাক (র) বলেন :
রাসুলুল্লাহ্ (সা) হুদায়বিয়া থেকে প্রত্যাবর্তন করে যিলহাজ্জ্ব মাস এবং মুহাররম মাসের কিছু অং
মদীনায় অবস্থান করেন ৷ এরপর মুহাররম মাসের অবশিষ্ট দিনগুলােতে তিনি খায়বরের উদ্দেশ্যে
বের হন ৷

ইউনুস ইবন বুকায়র মারওয়ান ও মিসওয়ার সুত্রে বর্ণনা করেন যে, হুদাবিয়ার বছর
রাসুলুল্লাহ্ (সা) মদীনা প্রত্যাবর্তনের পথে মক্কা এবং মদীনায় মধ্যবর্তী স্থান রাসুলুল্লাহট্রু (সা) এর
প্রতি সুরা ফাত্হ নাযিল হয় ৷ যুলহাজ্জ মাসে তিনি মদীনায় পৌছান এবং খায়বরের পথে রওয়ানা
হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন ৷ খায়বরের পথে খায়বর ও পাতফান গোত্রের
মধ্যবর্তী স্থানে রাজী নামক উপত্যকায় তিনি যাত্রা বিরতি করেন ৷ পাতফানীরা খায়বরবাসীদের
সহায়তা করবে ৷ পরে বলে দিল তার আশংকা, তাই তিনি ভোর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে
তারপর তাদের নিকট গমন করেন ৷ হাফিয বায়হাকী (র) বলেন, সপ্তম হিজবীর প্রথম দিকে
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর বহির্পত হওয়া সম্পর্কে এ মর্মের একটা বর্ণনা ওয়াকিদী থেকে বর্ণিত আছে ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.