রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আব্বাস ও আবূসুফিয়ান ইবৃন হারিছ প্রমুখের ইসলামগ্রহণ

আব্বাস ও আবূসুফিয়ান ইবৃন হারিছ প্রমুখের ইসলামগ্রহণ

প্রত্যেকটি পথভ্রষ্ট ব্যক্তিকে আল্লাহ্র ভৈনকট্য লাভে সক্ষম করে তৃলেছেন ৷ আমি অতীতে ছিলাম
প্রতিরোধকারী ও মুহাম্মাদ (সা) থেকে বিরত রাখার জন্যে কঠোর প্রচেষ্টায় রত ৷ মুহাম্মাদ
(সা) এর দিকে দাওয়াত দোয়া হলেও আমি তার সাথে সংশ্লিষ্ট হইনি ৷ আমার সাথী কাফিরদের
ইচ্ছেমত যারা পথ চলেনি বা অন্যায় কথা বলেনি ৷ তাদের বিরুদ্ধে যা করবার তারা তা সবই
করেছে যদিও তিনি ছিলেন সঠিক বিবেকের অধিকারী ৷ তবু তারা তাকে বুদ্ধিভ্রাম্ভ বলে আখ্যায়িত
করেছে ৷ যতক্ষণ পর্যন্ত আমি হিদায়াত পাইনি ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আমার সম্প্রদায়ের লোকদের
সাথে প্রতিটি বৈঠকে শবীক থেকে তাদেরকে খুশী করতে প্রয়াস পেয়েছি ৷ যদিও আমি অভিশপ্ত
ছিলাম না ৷ ছাকীফ গোত্রকে বলে দাও, আমি তাদের সাথে যুদ্ধ করতে চাই না ৷ আবারও
ছাকীফকে বলে দাও , আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে তারা তহ্: দেখাক ৷ আমি এমন
সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলাম না যারা আমিরকে হত্যা করেছে ৷ কেউই আমার রসনা বা হাতের
অনিষ্টের শিকার হয়নি ৷ দুরদুরান্তের জনপদসমুহ হতে সিহাম ও সুরদৃদ থেকে এসে এরা সমবেত
হয়েছে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, ইতিহাসবিদগণ বলেন, যখন আবু সুফিয়ান রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে
কবিতা পাঠের মধ্যে বললেন, আমি যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলড়াম তিনিই আমাকে আল্লাহ্র সাথে
সম্পৃক্ত করলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) নিজ হাত দ্বারা তীর বুকে মৃদু আঘাত করে বললেন :
, অর্থাৎ তৃমিই তো আমাকে সম্পুর্ণরুপে বিতাড়িত করেছিলে ৷

রাসৃলুল্লাহ্ (না)-এর মক্কায় প্রবেশ

রাসুলুল্লাহ্ (সা) মাররুয যাহ্রানে পৌছে সেখানে অবতরণ করলেন ও সেখানে অবস্থান
করলেন ৷

ইমাম বুখারী (ব) জাবির (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আমরা বাসুলুল্লাহ্
া সা) এর সাথে মাররুব যাভ্রন্ রানে কাবাস নামী ৷বৃনাে ফল সহগ্রভ্রুন্ৰু ন্ন্ৰুবছিলাম এবং রাসুলুল্লাহ্ (সা)
বলছিলেন, “এণ্ডালার মধ্যে যেগুলো কালো সেগুলে৷ তোমরা সংগ্রহ কর ৷ কেননা এগুলো
সুম্বাদৃ ৷ ” তারা বা সুলুলাহ (সা ) কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়৷ রাসুলাল্লাহ্ ! আপনি কি কখনও যেষ
চরিংয়ছিলেন ? তিনি বললেন “হ্যা , প্রত্যেক নবীই মেষ চরিয়েছেন ৷

বায়হাকী (ব ) আবুল ওয়ালীদ সাঈদ ইবন মীন৷ (বা) হতে বংনাি করেন ৷ তিনি বলেন,
মক্কার মুসলমানগণ যখন কিছুটা স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেললেন তখন মক্কা প্রবেশের বিষয়টি রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর ইচ্ছের উপর ছেড়ে দেন ৷ মাররুয যাহ্রানের শেষ প্রান্তে পৌছলে রাসুলুল্লাহ (সা)
আকাবায় অবতরণ করেন ৷ তারপর তিনি কাবাস ফল সংগ্রহকারীদেরকে তা চয়ন করে নিয়ে
আসতে প্রেরণ করলেন ৷ রাবী বলেন, আমি রাবী সাঈদকে জিজ্ঞেস করলাম, এগুলো কী ফল ?
তিনি বললেন, এগুলো হচ্ছে আরাক গাছের ফল ৷ যীরা ফল সংগ্রহ করতে গেলেন তাদের মধ্যে
একজন ছিলেন ইবন মাসউদ (বা) ৷ তিনি বলেন , যদি কেউ একটি সুস্বাদৃ ফল (পত, তখনই তা
সে মুখের মধ্যে পুরে দিত ৷ তারা সকলে ইবন ম৷ ৷সউদের পায়ের সরু গোছার দিকে লক্ষ্য
করছিলেন ৷ তিনি যখন গাছে আরোহণ করছিলেন তখন সকলেই তাকে নিয়ে হাসাহাসি
করছিলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, তোমর৷ কি তার পায়ের সরু গোছার দিক লক্ষ্য করে
হাসছিলে ? যার হাতে আমার প্রাণ, তার শপথ করে বলছি, “তার এ পা দু ’খানি হাসরের বিচারের
দিনে উহুদ পাহাড় থেকেও বেশি ভারী বলে গণ্য হবে ৷” আর ইবন মড়াসউদ (রা) কাবাস ফলের যা
কিছু সংগ্রহ করতেন তা সবগুলোই নিয়ে আসবেন এবং তার উত্তমগুলো রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর

অর্থাৎ এটা আমার চয়নকৃত ফল ; তার উত্তমগুলো এটার মধ্যে রয়েছে ৷ অথচ প্রত্যেক
সংগ্রহকারীর হাত রয়েছে তার মুখে ৷
সহীহ্ বৃখারী ও সহীহ্ ঘুসলিমে আনাস (রা ) হতে ৩বর্ণিত রয়েছে ৷ তিনি বলেন, আমাদের
সামনে দিয়ে একটি খরগােশ দৌড়ে ন্যায় ৷ আমরা ছিলা৷ ম৷ ররুয যাহ্রানে ৷ লোকজন তার পিছনে
৬৩

দৌড়াতে লাগল এবং অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ল ৷ এরপর এটাকে আমি পেয়ে গেলাম ও ধরে
ফেললাম এবং আবু তালহ৷ (র৷ ) এর কাছে নিয়ে আসলাম ৷ তিনি এটাকে যবেহ করলেন এবং
তার একটি রান রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাহে প্রেরণ করলেন ৷ রাসুণুল্লাহ (সা ) তা গ্রহণ করলেন ৷

ইবন ইসহাক বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মার্কয যাহ্রান অবতরণ করেন৷ কুরায়শদের কাছে এ
থবরটি গোপন রয়ে গেল ৷ রাসুলুল্লোহ্ (স৷ ৷) হতে ও কোন সংবাদ তা দর কাছে পৌল্ ছিল না
আর তারাও জানতে৷ না যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা ) কী করতে যাচ্ছেন ? এ দিনগুলোর মধ্যেই আবু
সুফিয়ান ইবন হারর, হাকীম ইবন হিযাম এবং বুদায়ল ইবন ওরাক৷ ঘর থেকে বের হলেন যাতে
তারা কোন খবর সংগ্রহ করতে পারেন কিৎবা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কর্মকাণ্ড সম্বন্ধে কিছু অবগতি
অর্জন করতে পারেন ৷

ইবন লাহিয়া উরওয৷ (রা ) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা)
মুশরিকদের গুপ্তচরদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশে কিছু গুপ্তচর প্রেরণ করেন ৷ খুয আ
গোত্রের লোকেরা তাদের পাশ দিয়ে যারাই অতিক্রম করছিল তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ না করে
ছাড়তে৷ না ৷ আবুসুফিয়ড়ান (রা ) ও ত ৷র সৎগীরা যখন মুসলমানদের কাফেলায় আসেন তখনই
মসলমান ঘোড়সওয়ারগণ র্তীদেরকে গ্রেফতার করে ফেলেন এবং উমর (রা ) তাদেরকে হত্যা
করতে উদ্যত হন ৷ তবে আব্বাস (রা) আবু সুফিয়ান (রা)-কে নিরাপত্তা দান করেন ৷ আর
আব্বাস (রা) হ্যিলন আবু সুফিয়ান (রহ্ব)-এর বন্ধু ৷

ইবন ইসহাক বলেন : আব্বাস (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) যখন মার্কয যাহ্রান অবতরণ
করেন তখন আমি মনে মনে রললাম, কুরায়শরা চিরদিনের জন্যে ধ্বংস হয়ে যাবে যদি তারা
রাসুলুল্লাহ্ (সা) থােক নিরাপত্তা গ্রহণ করার পুর্বে রাসুলুল্লাহ্ (সা) বিজয়ীর বেশে মক্কায় প্রবেশ
করেন ৷’ ’তিনি বলেন, “আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সাদা খচ্চরে আরোহণ করলামও আল আরাক
নামক স্থানে পৌছলাম এবং মনে মনে বলতে লাগলাম, হয়ত বা কোন কাঠুরিয়া, গোযালা কিৎবা
অন্য কোন পেশার লোক পেয়ে মাঝে, যে মক্কাবাসী দরকে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর আগমন সম্বন্ধে
খরর দেবে ৷ যাতে করে তারা রাসৃলুল্লাহ্ (সা )-এর মক্কায় বিজয়ীর বেশে প্রবেশ করার পুর্বে তার
থেকে নিরাপত্তা গ্রহণ করতে পারে ৷ আল্লাহর শপথ, আমি খচ্চরের উপর সওয়ার হয়ে চলছিলাম
আর এরুপ আশা পোষণ করছিলাম ৷ হঠাৎ আবু সুফিয়ান (রা) ও বুদায়ল ইবন ওরাকার আওয়ায
শুনতে পেলাম ৷ তারা দুইজনই রাদানুরাদ করছিল ৷ আবু সুফিয়ান (রা ) বলছিলেন, আজকের
রাতের মত এত আগুন ও সৈনাদল আর কখনো আমি দেখিনি ৷ আব্বাস (বা) বলেন, বুদায়ল (রা)
বলছিল, আল্লাহর শপথ, এরা সব রবু খুয৷ আর লোক ৷ যুদ্ধ৩ তাদের উন্মাদ করে তুলেভ্রুছ ৷’ আবু
সুফিয়ান (রা ) বলেন, খুয়াআর লোক সংখ্যা কম ও দুর্বল ৷ কাজেই এরা খুযা আর লোক হতে
পারে না এবং এটা খুযাআর আগুন হতে পারেন৷ ৷ আব্বাস (রা) বলেন, “আমি আবু সুফিয়ান
(রা)-এর গলার স্বর ল্পিতে পারলাম এবং রললাম, “কে আবু হানৃযাল৷ নাকি ?” সেও আমার
গলার স্বর চিনতে পেরে বলল, কে আবুল ফযল নাকি ?” আমি রললাম, হ্যা’ ৷ আবু সুফিয়ান
(রা) বললেন, ব্যাপার কী ? তোমার উপর আমার মা বাপ্ ৷কুরবান হোন !” আব্বাস (রা)
বললেন, আমি বল পাম, “হে আবু সুফিয়া ন ! তোমার দৃর্ভ ৷গ্য, এইতে৷ আল্লাহর রাসুল, লোকজন

নিয়ে হাযির !” আবু সুফিয়ান (রা) বললেন, “আল্লাহর শপথ, কুরায়শদের ধ্বংস অনিবার্য ৷ তোমার
উপর আমার মাতা পিতা কুরবান হোন! তাহলে এখন উপায় কী ?” আব্বাস (রা) বলেন, আমি
বললড়াম, “যদি কেউ তোমাকে কাবুতে পেয়ে যায়, সে তোমাকে নিশ্চয়ই হত্যা করবে ৷ কাজেই
এ খচ্চরের পিঠে চড়ে রস ৷ আমি তোমাকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (স্য)-ন্এর কাছে যার এবং তার
কাছে (তামার নিরাপত্তার আবেদন করব ৷ ” আব্বাস (বা) বলেন, তারপর সে আমার পিছনে
সওয়ার হলো ও তার দু’জন সাথী ফিরে চলে গেলো ৷ উরওয়া (ণ্রা) বলেন, বরং তারা দু’জন
সাথীও রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে আগমন করেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন ৷ আর রড়াসৃলুল্লাহ্
(সা) তাদের দু’জনের কাছ থেকে মক্কারাসীদের সম্বন্ধে খবরাখবর ৰুরুনন ৷” ইমাম যুহ্রী (বা এবং
মুসা ইবন উকবা বলেন, “বরং তারা হযরত আব্বাস (রা)এর সাথে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর
খিদমতে হাযির হয়েছিলেন ৷”

ইবন ইসহাক বলেন, আব্বাস (বা) বলেন, “তারপর আমি তাকে নিয়ে যখন মুসলমানদের
কোন তাবুর আওতায় পাশ দিয়ে যাই, উপস্থিত লোকজন জিরু স করে , ইনি কে ? যখন তারা
রাসুলুল্লাহ্ (না) এর খচ্চর ও আমাকে তার উপর সওয়ার দেখতে পেতে৷ , তখন তারা বলরুতা ,
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর চাচা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর খচ্চরের উপর সওয়ার ৷” এমনকি যখন আমি উমর
(রা) এর আগুনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন “ইনি কে ?” আমার প্ৰতি
লক্ষ্য করে যখন আবু সুফিয়ান (রা) কে খচ্চরের পিঠে আমার পিছনে দেখতে পেলেন, তখন
বলে উঠলেন, আল্লাহ্র দুশমন আবু সুফিয়ান ! আল্লাহর অসংখ্য প্রশংসা যে কোন চুক্তি ও
ৎপীকার ব্যতিরেকেই আল্লাহ তোমাকে আমাদের হাতের মুঠােয় এনে দিয়েছেন !” উরওয়া
ইবন যুবায়র (রা) বলেন, উমর (রা) আবু সুফিয়ান (বা) এর ঘাড়ে আঘাত করেন এবং হত্যা
করার মনস্থ করেন; জ্যি আব্বাস (রা) তাকে ধারণ করেন ৷

অনুরুপভাবে মুসা ইবন উববাে ইমাম যুহ্রী হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্
(না)-এর গুপ্তচরেরা তাদের উটের রশি ধরে ফেলেন এবং জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কে ?’ তারা
বলেন, “রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে প্রেরিত প্রতিনিধি ৷” এরপর আব্বাস (রা) তাদের সাথে
মুলাকাত করেন এবং তাদেরকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) দরবারে প্রবেশ করেন ৷ এরপর আব্বাস
(বা) তাদের সাথে সারা রাত কথা বলেন এবং ভোর বেলায় তাদেরকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু
কালিমার দাওয়াত দিলেন ৷ তারা সাক্ষ্য দিলেন ৷ “আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ
(সা) আল্লাহ্র রাসুল ৷” হাকীম এবং বুদায়লও অনুরুপ সাক্ষ্য দিলেন ৷ আবু সুফিয়ান (রা) রাতে
বলেছিলেন, “আমি এসব জানিনা, কিন্তু ভোরবেলা ইসলাম গ্রহণ করেন ৷ তারা তিনজন মিলে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে কুরায়শদের জন্যে নিরাপত্তার আবেদন করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) ঘোষণা
করেন, “যে আবু সুফিয়ান (রা)-এর ঘরে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ !” আর আবু সুফিয়ান
(রা) এর ঘর ছিল মক্কার উচ্চ ভুমিতে ৷ “যে হাকীম ইবন হিযড়াম (রা) এর ঘরে প্রবেশ করবে সে
নিরাপদ ৷” হাকীম ইবন হিযড়াম (রা)-এর ঘর ছিল মক্কার নিম্ন ভুমিতে ৷ “আর যে ব্যক্তি নিজের
ঘরের দরজা বন্ধ করে দেবে সেও নিরাপদ !” এগুলো ছিল রড়াসুলুল্লাহ্ (সা) এর ঘোষণা ৷ আব্বাস
(বা) বলেন, “এরপর উমর (রা) রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে পৌছার জন্যে দ্রুত রওয়ান৷ হলেন ৷
আমিও খচ্চরে সওয়ার হয়ে খচ্চরকে দ্রুত ইকোতে লাগলাম ৷ আমি তার আগে পৌছে গেলাম ৷

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.