রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

দূমাতুল জানদাল যুদ্ধ : রবীউল আওয়াল মাসে

দূমাতুল জানদাল যুদ্ধ : রবীউল আওয়াল মাসে

হিজরী ৫ম সন

দুমাতুল জানদড়াল বুদ্ধ : রবীউল আওয়াল মাসে

ইবন ইসহাক বলেন , এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) দুমাতুল জল্দোল ই’ যুদ্ধ পরিচালনা করেন ইবন
হিশাম বলেন, এই যুদ্ধ পরিচালনা করেন ৫ম হিজরীর রবীউল ত্মাওয়াল মাসে ৷ তখন মদীনায়
শাসনভার দিয়েছিলেন সিবা ইবন উরফুতা গিফারীর হাতে ৷

ইবন ইসহাক বলেন, দুমাতুল জানদাল পর্যন্ত পৌছার পুর্বেই রাসুলুল্লাহ (সা ) মদীনায় ফিরে
আসেন ৷ পথে কোন প্রকারের সংঘর্ষ কিৎবা কোন ষড়যরুন্ত্রর সম্মুখীন হননি ৷ তারপর বছরের
অবশিষ্ট সময়টুকু তিনি মদীনাভ্রুত্ইে অতিবাহিত করেন ৷ ইবন ইসহাক এরুপই বলেছেন ৷

ওয়াকিদী আপন সনদে তার শায়খদের থেকে তারা একদল প্রাচীন ও জ্ঞানীজন থেকে বর্ণনা
করেছেন ৷ তারা বলেছেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) সিরিয়ার উপকষ্ঠে যাবার ইচ্ছা করেছিলেন ৷ তাকে
জানানো হয়েছিল যে, এরুপ করতে পারলে রোমান সম্রাট কায়সার ভয় পেয়ে যাবে ৷ র্তাকে আরো
জানানো হয় যে, দুমাতুল জ্বানদাল এলাকায় বড় একটি দল রয়েছে যারা ওই পথে যাতায়াতকারী
পথিকদেরকে খুবই নির্যাতন করে থাকে ৷

সেখানে একটি বড় বাজারও ছিল ৷ দৃমাবাসীরা মদীনা আক্রমণের পরিকল্পনাও করেছিল ৷
ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জংন্য রাসুলুল্লাহ্ (সা ) লোকজনকে আহ্বান জানালেন ৷ প্রায় ১০০০

অগ্রসর হতেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে ছিল মাযকুর নামক খুবই চৌকস একজন পথ
প্রদর্শক ৷ দুমাতুল জানদালের কাছাকাছি পৌছে সে বনু তামীম গোত্রের পশু পালগুলো
মুসলমানদের দেখিয়ে দিল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা ) ও তার সাথীগণ সম্মুখে অগ্রসর হয়ে ওই পশু পাল ও
রাখালদের উপর হামলা করেন ৷ কতক রাখাল পালিয়ে যায়, আর কতক মুসলমানদের হাতে বন্দী
হয় ৷ দুমাতুল জানদালের অধিবাসীদের নিকট এই সংবাদ পৌছলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) ওই এলাকায় গিয়ে পৌছে ওদের কাউকেই ওখানে পাননি ৷ সেখানে তিনি
কয়েকদিন অবস্থান করেন ৷ সেখান থেকে কয়েকটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল আশে পাশে প্রেরণ করেন ৷
তারপর তারা মদীনায় দিকে ফেরত যাত্রা করেন ৷ মুহাম্মাদ ইবন মাসলাম৷ (বা ) ওদের এক
ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন ৷ তিনি তাকে রাসুলুল্লাহ্ (সা ) এর নিকট উপ ত করেন ; রাসুলুল্লাহ্ (সা )

১ অভিধানবিদগণ দুমা এবং হাদীছবিদগণ দাওমা বলে থাকেন ৷ দ্র আল-বিদায়া (পাদটীকা)

তাকে তার সাথীদের সম্পর্কে জাি,জ্ঞস করেন ৷ সে বলে যে, ওরা সবাই পুর্বের দিন এলাকা ছেড়ে
পালি য় গিয়েছে ৷ রাসুলুলাহ (না) তাকে ইসলাম গ্রহণের প্রস্তাব দিলেন, যে ইসলাম গ্রহণ করে ৷
রাসুলুল্লাহ্ (স ) মদীনায় ফিরে এলেন ৷

ওয়াকিদী বলেন রাসুলুল্লাহ্ ( সা ) দুমাতুল জানদা ল অভিযানে ৷ররিয়েছিলেন ৫ম হিজরীর
রবীউ ল আখের মাসে ৷ ওয়াকিদী এও বলেন যে ওই মাসেই স৷ দ ইবন উবাদ৷ ৷(রা) এর মা
ইনতিকাল ৷করেন ৷ তখন স৷ দ (রা) রাসৃলুল্লাহ্( সা)-এর সাথেই ছি?ণ্ষ্ান ৷

ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী তার জামি গ্রন্থে বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবন বাশৃশার সাঈদ
ইবন মুসাব্যিব (র) থেকে বংনাি করেন যে, সাদ (বা) এর ম যখন মারা যান তখন রাসুলুল্লাহ্
(সা) মদীনায় ছিলেন না ৷ মদীনায় প্রত্যাবর্তনের পর তিনি মরহুমার জাল নামায আদায় করেন ৷
মৃত্যুর একমাস পর তিনি এই নামায আদায় করেন ৷ এটি একটি উত্তম ঘুরসাল পদ্ধতির হাদীছ ৷
এতে প্ৰ৩ ভীয়মান হয় যে নাসুলুল্ল হ (না) এই যুদ্ধ উপলক্ষে প্রায়এ ক পান বা ততোধিক সময়
মদীনায় অনুপস্থিত ছিলেন ৷ যেমনটি ওয়াকিদী বলেছেন ৷

খন্দক বা আহযাবের যুদ্ধ

এ প্ৰসংণে আল্লাহু তা আ ল৷ সুরা আহয়াধেয় প্ৰথ ৷ দিকের আয়া৩ ওগুলো অবতীর্ণ করেন ৷
আল্লাহ তাআলা বলেন &

অর্থাং হে মুমিনগণ ৷ তোমরা তোমাদের প্ৰতি অল্লোহ্র অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যখন
শত্রুবাহিনী তোমাদের বিরুদ্ধে সমাগত হয়েছিল এবং আমি ওদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেছিলাম
ঝঞা বার এবং এক বাহিনী যা তোমরা দেখনি ৷ তোমরা য৷ কর আল্লাহ্ তার সম্যক দ্রষ্ট৷ ৷ যখন
ওরা তোমাদের বিরুদ্ধে সমাণত হয়েছিল ডচ্চ অঞ্চল ংনিম্ন অঞ্চল হতে তোমাদের চক্ষু
বিম্ফারিত হয়েছিল , তোমাদের প্রাণ হয়ে পড়েছিল কণ্ঠাণত এবং তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে নানাবিধ
ধারণা পোষণ ৷করছিলে ৷ তথাং ম’মিনগণ পরীক্ষিদ্ হয়েছিল এবং তারা ভীযণভাবে প্রকম্পিত
হয়েছিল এবং মুনাফিকরা ও যাদের অম্ভার ছিল বাধিত তারা বলছিল আল্লাহ্ এবং তার রাসুল
আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ব্যভীত কিছুই নয় ৷ এবং ওদের একদল
বলেছিল হে ইয়াছরিররাসী ৷ এখানে তোমাদের কোন স্থান নেই, তোমরা ফিরে চল এবং ওদের
মধ্যে একদল নবীর নিকট অব্যাহতি প্রার্থনা করে বলছিল, আমাদের বাড়ী ঘর অরক্ষিত ৷ অথচ
ওগুলো অরক্ষিত :ি ল না অ৷ ৷-সরু’৷ পলায়ন করাই ছিল ওদের উদ্দেশ্য ৷ যদি শত্রুর৷ নগরীর বিভিন্ন
দিক হতে প্রবেশ করে ওদের৫ক’ বািদ্রাহের জ্যনা প্ৰরোচিত করত ন্ব্রার৷ অবশ্য তা-ই করে বসত,
তারা তাতে কাল ধিলম্ব করত না ৷ এরাতাে পুর্বেই আল্লাহ্র সাথে অৎগীকার করেছিল যে, এরা
পৃষ্ঠ প্ৰদশ্নি করে, পালাবে না শ্ আল্লাহর সাথে কত অত্গীকার সম্বন্ধে অবশ্যই জিজ্ঞেস করা হবে ৷
বলুন, তোমাদের কোন লাভ হবে না যদি তোমরা মৃত্যু অথবা হত্যার ভয়ে পলায়ন কর এবং

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.