রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

খালিদ ইবৃন ওয়ালীদ (রা)-এর ইসলাম গ্রহণ

খালিদ ইবৃন ওয়ালীদ (রা)-এর ইসলাম গ্রহণ

আমার সাখী হবে ৷ এরপর আমি সাফওয়ান ইবন উমাইয়ার সাথে সাক্ষাৎ করলাম ৷ আমি বললাম,
হে ওহাবের পিতা ! তৃমিত আমাদের করুণ অবস্থা দেখতেই পাচ্ছ ৷ আমরা পেষকদন্তের ন্যায় ৷
মুহাম্মাদ আরব ও অনারৰের উপর বিজয় লাভ করেছেন ৷ আমরা যদি নৃহগ্যেদের দলভৃক্ত ইে এবং
তীর আনুগত্য স্বীকার করি তাহলে মুহন্মোদের মর্ষাদাই হবে আমাদের মর্যাদা ৷ কিত্তু সে
কঠোরভাবে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করল এবং বলল, “আমি ব্যতীত যদি আর কেউ মুসলমান হওয়া
ছাড়া বাকী না থাকে তবু কখনও আমি তার আনুগত্য স্বীকার করব ন একথা শোনার পর আমি
তার থেকে বিদায় নিলাম এবং নিজের মনে বললাম, এ এমন একজন লোক যায় ভাই ও পিতা
বদরের যুদ্ধে নিহত হয়েছে ৷ এরপর আমি ইকরামা ইবন আবৃ জাহ্লের সাথে সাক্ষাত করলাম
এবং সাফওয়ানকে যা বলেছিলাম তাকেও অনুরুপ বললাম ; কিন্তু সেও সাফওয়ানের ন্যায় জবাব
দিল ৷ এরপর আমি মনে মনে বললাম, এটা গোপন থকােই আমার জন্যে ভাল ৷ আমি এটা আর
কারো কাছেউল্লেখ করব না ৷ আমি আমার ঘরে গেলাম এবং বাহন প্রস্তুত করার নির্দেশ দিলাম ৷
আমি সাওয়ারী নিয়ে বের হয়ে পড়লাম এবং উছমান ইবন তালহার সাথে সাক্ষাত করলাম ৷ মনে
মনে বলতে লাগলাম, ইনিত আমার বন্ধুই, যা ইচ্ছে তার কাছে উল্লেখকরতে পারি ৷ এরপর তার
বাপ দাদাদেরও নিহত হওয়ার বিষয়টি স্মরণে আসল তখন তার কাছে সব কিছু উল্লেখ করা
সযীচীন মনে করলাম না ৷ আবার মনে মনে ভাবলাম ৷ এতে আমার কি ? এখনই আমি চলে
যাচ্ছি ৷ কাজেই আমি তার কাছে উল্লেখ করব যা হবার হবে ৷ এরপর আমি বললাম , দেখ আমরা
গর্তের শিয়ালের ন্যায়, যদি এ গর্ভে বেশী পরিমাণে পানি ঢালা হয় তাহলে আমরা বের হয়ে
আসতে বাধ্য হবো ৷ আমার পুর্বের দৃই বন্ধুর কাছে যা বলেতািন্থম তৃতীয় বন্ধুর কাছেও তাই
বললাম ৷ এবং তিনি সাথে সাথেই আমার অনুকুলে সাড়া দিলেন ৷ তাকে আমি বললাম, আজকে
আমি এখানে আছি ৷ আগামী কাল ভোরে মুহাষ্মাদের কাছে পৌছার ইচ্ছা রাখি ৷ আমার সাওয়ারী
তৈরী রয়েছে ৷ ইয়াজিজে পৌছার জন্যে আমি ও আমার বন্ধুটি তৈরী হতে লাগলাম ৷ সিদ্ধান্ত হল
যে আমার পুর্বেই পৌছলে আমার জন্যে অপেক্ষা করবে ৷ আর আমি তার আগে পৌছলে আমি
তার জান্য অপেক্ষা করব ৷ এরপর আমরা শেষরাতে সেখানে গিয়ে পৌছলাম ৷ তখনও ভোর
হয়নি ৷ ইয়াজিজে আমরা একে অন্যের সাথে মিলিত হলাম ৷ আমরা আল-হুদায় পৌছণাম এবং
সেখানে আমর ইবনুল আস (রা)-কে দেখতে পেলাম ৷ আমর বললেন তােমাদেরকে
স্বাগতম ৷ ” আমরা বললাম, ণ্তামান্বকও স্বাগতম ৷ আমর (বা) বললেন, “তোমাদের গস্তব্যস্থল
কোথায় ? আমরা বললাম, তৃমি কিসের অভিযানে বের হয়েছ ?” তিনি বললেন, “তোমরা
কিসের অভিযানে বের হয়েছ ?” আমরা বললাম, “ইসলামে প্রবেশ করার জন্যে এবং মুহস্ফোদের
আনুগত্য স্বীকার করার জন্যে আমরা এসেছি ৷” তিনি বললেন, ঐ একই উদ্দেশে আমিও
এসেছি ৷” আমরা সকলে মিলে ভোরে মদীনায় প্রবেশ করলাম ৷ হাৰ্বায় আমাদের কাফেলা
থামল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা)–কে আমাদের আগমনের সংবাদ দেওয়া হল ৷ তিনি আমাদের আগমনে
খুশী হলেন ৷ আমি আমার ভাল জামা কাপড় পরিধান করলাম এবং রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর খিদমতে
পৌছার জন্যে রওয়নাে হলাম ৷ আমার ভইি আমার সাথে সাক্ষাত করলেন এবং বললেন তাড়া
ণ্তাড়ি কর, রাসুলুল্লাহ্ (সা)-কে তোমার আগমনের খবর দেওয়া হয়েছে ৷ তোমার আপমনে তিনি
খুশী হয়েছেন ৷ তিনি তোমাদের জন্যে অপেক্ষা করছেন ৷ তাড়াতাড়ি চল ৷ আমি রাসৃলুল্লাহ্ (সা)

এর দরবারে পৌছলাম ৷ তিনি আমাকে দেখে মুচকি হাসি হাসলেন ৷ আমি তীর সামনে গিয়ে
দীড়ালাম এবং তাকে নবী বলে উল্লেখ করে সালাম কািাম ৷ প্রসন্ন বদনে তিনি আমার সালামের
উত্তর দিলেন ৷ এরপর আমি বললাম, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নেই
এবং আপনি আল্লাহ্ র রাসুল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “এসো এসো ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা)
বললেন, আল্লাহ্র জন্যে সমস্ত প্রশংসা যিনি তোমাকে হিদায়াত দান করেছেন ৷ তোমার
বুদ্ধিমত্তার উপর আমার আস্থা ছিল ৷ আমি আশা করতাম যে, তোমার বৃদ্ধি বিবেচনা তোমাকে
কল্যাণের দিকে পরিচালিত করবে ৷ ’ আমি বলরাম, “হে আল্পাহ্র রাসুল ৷ আপনার মাহাত্ম্য আমি
উপলব্ধি করেছিলাম ঠিকই; কিন্তু বিদ্বেষবশত সতের ব্যিরাধিতা করে আপনার বিরুদ্ধে
পরিচালিত অভিযানগুলোতে আমি অংশ নিয়েহ্নিা৷ম ৷ আপনি আল্লাহ্র কাছে দৃআ ব্বান আল্লাহ্
তাআলা যেন আমাকে মাফ করে দেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন “পুর্বের সব গুনাহ্ ইসলাম
মিটিয়ে দেয় ৷” আমি বললাম, এরপরও আপনি একটু দুআ করুন ইয়া রা সুলাল্লাহ্ ! রাসুলুন্নাহ্
(সা) বললেন, ণ্হ আল্পাহ্ আল্লাহ্র রাস্তা থেকে বিরত কৱণজনিত খালিদের অপরাধসমুহ ক্ষমা
করুন ! ৰালিদ (বা) বলেন, তারপর উছমান ও আমর আসর হয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর হাতে
বায়আত গ্রহণ করলেন ৷ তিনি আরো বলেন, আমাদ্যেৰ্ এ আগমন ছিল ৮ম হিজরীর সফর মাসে ৷
আর তার গোষ্ঠির অন্য কোন সাহাবীকেই রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার সমতুল্য মনে করতেন না ৷

বনু হাওরাযিনের প্ৰতি প্রেরিত শুজা ইবন ওহাব আল-আসাদীর অভিযান

ওয়াকিদী উমর ইবনুল্ হাকম (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা)
২৪ জনের একটি দলকে ক্তজা ইবন ওহাব (রা)এর নেতৃত্বে বনু হাওয়াযিনের প্ৰতি প্রেরণ করেন
এবং তাদের উপর অতর্কিভে হামলা করার নির্দেশ দেন ৷ সে মতে তিনি বের হয়ে পড়লেন )
তিনি রাতে ভ্রমণ করতেন এবং দিনে শত্রুর পতিবিধি লক্ষ্য করার জন্যে ওৎপেতে থাকতেন ৷
তিনি শত্রুর কাছে আসলেন এবং তাদের প্ৰতি আক্রমণ করলেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার
আসহাবকে নির্দেশ প্রদান করতেন যেন র্তারা শত্রুর পশ্চাদ্ধাবনে বাড়াবাড়ি না করেন তারা প্রচুর
উট ছাগল লাভ করলেন ৷ এগুলোকে তারা হীকিয়ে নিয়ে মদীনায় এসে পৌছলেন ৷ র্তাদের
প্রত্যেকের অংশে পড়েছিল ১৫টি করে উট ৷ আবার কেউ কেউ বলেহ্নো, তারা কিছু সংখ্যক র্বীদী
-দাসীও লাভ করেছিলেন ৷ দলপতি তাদের মধ্য হতে একটি সুন্দরী নারীকে তীর নিত্তেরে জন্যে
পসন্দ করেছিলেন ৷ ঐ সম্প্রদায়ের লোকজন ইসলাম গ্রহণ করে ৷ তাদেরকে ফেরত প্রদানের
ব্যাপারে দলপতি রাসুলুল্পাহ্ (না)-এর সাথে পরামর্শ করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তাতে সম্মতি
দিলেন ৷ তাই তাদের সকলকে যেম্মত দেওয়া হল ৷ আর দলপতির কাছে যে দাসীটি ছিল তাকে
ইখতিয়ার দেওয়া হয় ৷ সে তার কাছে থাকটাই পসন্দ করে ৷ এ অভিযান সম্পর্কে ইমাম শাফেয়ী
(র) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, “একদা রাসুলুল্লাহ্ (সা)
নজদের দিকে একটি ক্ষুদ্র অভিযান প্রেরণ করেন ৷ তাদের মধ্যে আবদুঃা৷হ্ ইবন উমর (ৱা)ও
ছিলেন ৷” তিনি বলেন, “এ অভিযানে আমরা অনেক উট লাভ করেছিলাম এবং আমাদের
প্রত্যেকের অংশে উট পড়েছিল ১২টি করে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাদের প্রতোককে একটি করে
অতিরিক্ত উটও প্রদান করেছিলেন ৷” ইমাম মালিক (র)-এর বরাভে সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্

মুসলিমেও এ বর্ণনাটি পাওয়া যায় ৷ আবার মুসলিম ও এককভাবে আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (বা)
হতে অনুরুপ বর্ণনা করেন ৷ আবুদাউদ (র) আবদুল্লাহ ইবন উমর (বা) হতে বর্ণনা
করেন ৷ তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ্ (সা) নজদ্যে৷ দিকে একটি ক্ষুদ্র সৈন্যলে প্রেরণ করেন ৷ আমিও
এ অভিযানে অংশ নিয়েছিলাম ৷ আমরা বহু সম্পদ লাভ করেছিলাম ৷ আমাদের নেতা আমাদের
প্রত্যেককে একটি একটি করে উট বেশি প্রদান করলেন ৷ এরপর আমরা রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
কাছে আগমন করলাম ৷ তিনি আমাদের মাঝে গণীমতের মাল বন্টন করেন ৷ খুমুস পৃথক করার
পর আমাদের প্রাত্যকের অংশে ১২টি করে উট পড়েছিল ৷ আর আমাদের নেতা আমাদেরকে যা
দিয়েছিলেন রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার কোন হিসাব নিলেন না এবং নেতা যা করেছেন তারও কোন
দোষ ত্রুটি ধরলেন না ৷ অতিরিক্ত একটিসহ আমাদের প্রতেকেব অংশে ১৩টি করে উট
পড়েহ্নিণ্ ৷

বনু কুযাআর বিরুদ্ধে প্রেরিত কাব ইবন উমায়র (না)-এর অভিযান

ওয়াকিদী, মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ যুহরী (র) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, “ ১৫ জনের
একটি ক্ষুদ্র সৈন্যদলের নেতৃত্ব দিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সা) কাব ইবন উমায়র আল-গিফারী (রা)-কে
প্রেরণ করেন ৷ তারা যখন সিরিয়ার “যাতে ইত্তালা নামক জায়গায় পৌছলেন তারা সেখানে
একটি বিরাট সৈন্য দলের মুখোমুখি হলেন ৷ তখন তারা তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহ্বান
করলেন ৷ কিন্তু তাতে সাড়া না দিয়ে তাদ্যে৷ প্রতি তীর নিক্ষেপ করতে লাগল ৷ রাসুলুল্লাহ্
(সা)ষ্এর সংগীগণ যখন এরুপ অবস্থা দেখলেন তাদের সাথে ভীষণ যুদ্ধে লিপ্ত হলেন এবং
শাহাদত বরণ করলেন ৷ নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মারাত্মক আহত ব্যক্তিকে পাওয়া গেল
এবং তাকে উঠিয়ে তাবুতে আনা হল ৷ যখন রাত গভীর হল, তখন তাকে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর
কাছে আনা হল ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) শত্রুদের বিরুদ্ধে অন্য একটি ক্ষুদ্র সৈন্যদল পাঠাবার মনস্থ
করলেন; জ্যি খবর আসল যে, তারা অন্যত্র চলে গেছে ৷ তইি আর সৈন্যদল পাঠানো হল না ৷

মুতার যুদ্ধ
যায়দ ইবন হারিছা (না)-এর অভিযান

সিরিয়ার বালুকা এলাকায় প্রেরিত এ বাহিনীতে ছিলেন তিন হাজারের মত সৈন্য
মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেন, কযাের উমরা পালনের পর রাসুলুল্লাহ্ (সা) ষিলহাজ্জ মাসের

বাকী কয়েকদিন মদীনায় অবস্থান করেন ৷ আর মুশরিকরা এ হশুজ্জর তত্ত্বাবধান করে ৷ রাসুলুল্লাহ্

(সা) ৮ম হিজ্জীর যুহাররম, সধ্ব, রবিউঃ৷ আউয়াল ও রবিউস ছানী মদীনায় অবস্থান করেন ৷ আর

জুমাদাল উল৷ মাসে সিরিয়ার সৈন্য বাহিনী প্রেরণ করেন ৷ তারা মুতা নামক স্থানে শত্রু সৈন্যের
মুকাবিলা করেন ৷

উরওয়া ইবন যুবায়র (বা) বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ৷ন্ম হিজরীর জুমাদাল উল৷ মাসে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) মুতায় একদল সেনাবাহিনী প্রেরণ করেন এবং যায়দ ইবন হারিছা (রা)-কে আমীর

নিযুক্ত করেন ৷ আর বলেন, “যদি যায়দ (রা) শহীদ হয় তাহলে জাফর ইবন আবু তালিব (রা)
নেতৃত্ব দেবে ৷ আর যদি জাফর (বা) শহীদ হয়, তাহলে আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব
দান করবে ৷ লোকজন প্রস্তুতি নিতে লাগলেন এবং বের হবার চুড়ান্ত উদ্যোগ গ্রহণ করলেন ৷
সংখ্যায় তারা ছিলেন তাি হাজার ৷

ওয়াকিদী — হাকাম (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, “নু’মান ইবন ফিনৃহাস
নামক ইয়াহ্রদী রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে আসল এবং তার সামনে লোকজনের সাথে বসল ৷
তিনি বললেন, “যায়দ ইবন হারিছা (রা)-কে সৈন্যদলের আমীর নিযুক্ত করা হল ৷ যদি যায়দ (বা)
শহীদ হয়ে যায় তাহলে জাফর ইবন আবু তালিব (রা) আমীর হবে ৷ আর যদি জাফর (বা)
শাহাদত বরণ করে তাহলে আবল্লোহ্ ইবন রাওয়াহা (বা) আমীর হবে ৷ আর যদি আবদুল্লাহ ইবন
রাওয়াহা (রা) শাহাদত বরণ করে তাহলে মুসলমানগণ নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে একজনকে
আমীর নির্ধারণ করবে ৷” নু’মান বলে উঠল, ণ্হ আবুল কাসিম ! তুমি যদি নবী হও, তাহলে তুমি
যাদের নাম উল্লেখ করেছ, কম হোক আর বেশী হোক, তারা সকলেই শাহাদত বরণ করবে ৷
ফেপ্সনা, বনু ইসরাঈলের নবীগণ যখনই জাতির কাছে কোন কোন ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করতেন
এবং বলতেন যে, অমুক অমুক শাহাদত বরণ করবে তারা শাহাদত বরণ করতেন ৷ একশ’ জনের
ব্যাপারে এরুপ মন্তব্য করলে তাদের সকলেই শহীদ হতেন ৷ এরপর যায়দ (রা)-কে লক্ষ্য করে
ইয়াহুদী আেকটি বলল, “হে যায়দ ! জেনে রেখো মুহাম্মাদ যদি নবী হয়ে থাকেন তাহলে তুমি
কােনদিনও আর ফিরে আসবে না ৷ যায়দ (রা) বলেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি অবশ্যই
একজন সত্য নবী এবং পুণ্যবান ৷” এটি ৰায়হাকীর বর্ণনা ৷

ইবন ইসহাক বলেন, “যখন সৈন্যদলের রওয়ানা হবার সময় ঘনিয়ে আসল, লোকজন
রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর নিয়োগপ্রাপ্ত আমীরদের বিদায় দিলেন ও তাদের প্ৰতি সালাম বিনিময়
করলেন ৷ অন্যান্যদের সাথে আবল্লোহ ইবন রাওয়াহা (রা) যখন বিদায় নিলেন তখন তিনি র্কাদতে
লাগলেন ৷ লোকজন তন্কে জিজ্ঞেস ক্যাল, আপনি কেন র্কাদছেন হে ইবন রাওয়াহা ? উত্তরে তিনি
বললেন, আল্লাহর শপথ ! আমার কাছে দুনিয়ার কোন মমতা নেই কিৎবা তোমাদের প্রতিও আমার
কোন আকর্ষণ নেই; কিতৃ আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা)কে কিতাবুল্পাহর একটি আয়াত পড়তে শুনেছি
যার মধ্যে জাহান্নামের উল্লেখ রয়েছে ৷ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :
অর্থাৎ “এবং তোমাদের প্রত্যেকেই এটার (আহন্ন্নৰুমেরর্চু উপর
দিয়ে অতিক্রম করবে, এটা তোমার প্রতিপালরেদ্ম অনিবার্য সিদ্ধান্ত ৷” অথচ আমি জানি না কেমন
করে আমি সেখান থেকে উঠে আসর ৷ তখন মুসলমানগণ বলেন, আল্লাহ তোমাদের মঙ্গল
করপ্স, শত্রু থেকে হিফাযত ৰ্ব্রুন্ এবং আমাদের মাঝে তােমাদেরকে আল্লাহ তাআলা নিরাপদে
ফিরিয়ে নিয়ে আসুন ! এরপর আবদুঃব্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) কবিতার হুন্দে বলেন :

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.