রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

আবূ হাদরাদ (না)-এর অভিযান

আবূ হাদরাদ (না)-এর অভিযান

দিলে ইহজীবনের সম্পদের আকাৎখায় তাকে বলবেনা, তুমি মু মিন নও কারণ, তা ৷ল্লাহ্র নিকট
অনায়াসলভ্য সম্পদ প্রচুর রয়েছে ৷ তােমরাও পুর্বে এরুপই ছিলে, এরপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি
অনুগ্রহ করেছেন ৷ সুতরাং তোমরা যাচাই করে নেবে ৷ তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে

সবিশেষ অবহিত ৷” ( : নিসাং , ৯৪)

ইমা ৷ম আহমদ (র) ও আবু হ দব দ (বা) হতে ৩এরুপ রংনাি করেন ৷

ইবন ইসহাক ষুবায়র (রা) ও তার পিতা আওয়াম (বা) হতে বর্ণনা করেন ৷ তারা
উভয়ে হুনায়ন যুদ্ধে যোগদান করেন এবং বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সা) একদিন যুহরের স ৷লাত আদায়
করেন ৷ এরপর তিনি একটি গাছের ছায়ায় গিয়ে বলেন ৷ তখন উয়ায়না ইবন বদর, রাসুলুল্লাহ্
(সা )-এর কাছে এসে নিহত আমির ইবন আল-আযরাত আল আশজ৷ ৷ঈ এর রক্তপণ দাবী করে
কেননা, সে ছিল আমিরের মুনির ৷ তাকে রাসুলুল্লাহ্ (সা ) রলেন, “তোমরা কি এখন ৫০টি উট
গ্রহণ করতে এবং মদীনায় প্রত্যাব৩ নের পর বাকী ৫ :টি উট্রি গ্রহণ করতে রাযী আছ ?” উয়ায়না
ইবন বদর বলেন, “আল্লাহর শপথ, আমি তার সাথে কোন আপোস করব না ৷ যতক্ষণ না তার
রমণীরা ঐরুপ কষ্ট ভোগ করবে যেরুপ আমাদের রমণীরা কষ্ট ভোগ করেছে ৷ বনু লায়ছের এক
ব্যক্তি যাকে ইবন মুকায়াতিল বলা হয়, আবার সে আকারেও খাট ছিল ৷ সে বলতে লাগল, “হে
আল্লাহর রাসুল ! ইসলামের ছত্রছায়ায় প্রতারণার ক্ষেত্রে তাদের উপমা দেয়৷ চলে এমন কতগুলো
বকরীর সাথে যেগুলো পানি পান করতে এসে এদের অ্যাভাগে যেগুলো রয়েছে এরা পানি পান
করে আর পশ্চাতেরগুলে৷ পালিয়ে যায় ৷ অর্থাৎ তাদের মধ্যে কোন প্রকার একত৷ কিৎবা সহয়োগি
তার মনোভাব নেই ৷ আজকে এক প্রকার ঘটনা ঘটায়, পরদিন আবার অন্যরুপ ঘটনা ঘটাবে ৷
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “ তোমরা কি এখন ৫ :টি উট গ্রহণ করতে এবং মদীনায় প্রত্যাবর্তনের
পর বাকী ৫ :টি উট গ্রহণ করতে রাযী আছ ? এরুপ অনেকবার অনৃরোধের পর যে তা গ্রহণ
করতে রাযী হল ৷ মিহলাম ইবন জুছামার লোকজন বলতে লাগল, “চল, আমরা মিহলামকে
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে নিয়ে যাই ৷ যাতে তিনি তার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা ৷করেন ৷ রাবী বলেন,
একজন দীর্ঘকায়, সুস্বাস্থ্যবান এবং যুদ্ধ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত চাদর পরিহিত ব্যক্তি এসে রাসুলুল্লাহ্
(সা) এর সামনে দীড়াল ৷ তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেন , “হে আল্লাহ ! মিহলামকে মাফ করবেন
না “এ কথাটি তিনি তিনবার বলেন ৷ লোকটি দাড়িয়ে রইল এবং কাপড় দিয়ে অশ্রু যুছতে ছিল ৷

মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেন, “মিহলামের লোকেরা মনে করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা)
পরবর্তীতে তার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ৷ উপরোক্ত বর্ণনার ন্যায় আবু দাউদ ও ইবন মাজা
বিভিন্ন সনদে এ ঘটনাটি বর্ণনা করেন ৷

ইবন ইসহাক, আবু নয়র সালিম হতে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন, আমিরের
লোকজন রক্তপণ কবুল করেন নাই যতক্ষণ পর্যন্ত না আকরা ইবন হাবিস (বা) তাদের সাথে
একাম্ভে আলোচনা করেন ৷ আকর৷ (বা) বলেন, “(হ কায়সের বং ×শধরগণ ! রাসুলুল্লাহ (সা)
তোমাদের মধ্যে মীমাং সার খাতিরে তে ৷মাদেরকে বলেছেন, একটি নিহত ব্যক্তির হত্যার জন্যে
রক্তপণ গ্রহণ করতে, আর তোমার তার কথা অমান্য করছ ৷ তোমরা কি চিন্তা করে দেখছ যে,
যদি রাসুলুল্লাহ্ (সা)তে তামাদের প্রতি ৩ক্রুদ্ধ হন, তাহলে তার ক্রোধের কারণে আল্লাহ তোমাদের

প্ৰতি ৩ক্রুদ্ধ হবেন ৷ আর রাসুলুল্লাহ (সা) যদি তোমাদের প্রতি লা’নত করেন তাহলে৩ তার লানতের
দরুন আল্লাহ তা আলা তোমাদের প্ৰতি লা’নত করবেন ৷ তোমরা তাকে যেমন করেই হোক
বাসুলুল্ল হ (সা) এর কাছে রক্তপণ গ্রহণ করার জন্যে নিয়ে আস; অন্যথায় বনু নতামীমের
৫০জনকে দাড় করিয়ে আমি সাক্ষ্য দিতে বলবো যে নিহত ব্যক্তিটি কাফির ছিল, সে কোন দিনও
এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করেনি ৷ কাজেই তা র হত্যার জন্যে রক্তপণ দেয়া দরকার হবেনা ৷ তার
এ কথায় তারা রক্তপণ নিতে রাযী হয় ৷

এ বংনািটি বিচ্ছিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে ৷ ইবন ইসহাক হাসান রসরী (র) হতে বর্ণনা
করেন ৷ তিনি বলেন, মিহলাম যখন রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর সামনে বললেন, তখন রাসুলুল্লাহ্ (সা)
তাকে বললেন, “তুমি কি তাকে নিরাপত্তা দেয়ার পরও হত্যা করেছ ০” এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা)
তার জন্যে রদ দৃ আ করলেন ৷ হ সান রসরী (র) বলেন, “আল্লাহর শপথ এরপর মিহলাম মাত্র
সাতদিন বেচে ছিলেন ৷ মৃত্যুর পর তাকে মাটি উপরে নিক্ষেপ করে দিয়েছিল ৷ এরপর মিহলামের
আত্মীয়াজন আবার তাকে দাফন করল; কিছু; এবারও তাকে মাটি উপরে নোক্ষেপ করল ৷ এরপর
তারা আবার তাকে মাটিতে দাফন করল, কিন্তু এবারও তাকে মাটি নিক্ষেপ করে দিল ৷ এরপর
তারা তার উপর কুচি পাথর দিয়ে তাকে চাপা দিল ৷ এ সংবাদ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে পৌছার
পর তিনি বলেন, নিশ্চয়ই ভুমি তার থেকে অধিক খারাপ লোককেও বুকে ধারণ করে রয়েছে;
কিন্তু আল্লাহ তা আলার ইচ্ছে হচ্ছে তোমাদের লোকদের বেলায় সংঘটিত ঘটনা দ্বারা
তােমাদেরকে শিক্ষা দেওয়া ৷

ইবন জ বীর ইবন উমর (বা) হতে ৩বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (সা)
মিহলাম ইবন জুছামাকে একটি দলের দাযিতৃ দিয়ে অভিযানে প্রেরণ করেন ৷ পথিমধ্যে আমির
ইবন আল আযবাত সৈনাদলের সাথে মুলাকাত তকরেন ও ইসলামী কায়দায় সালাম দেন ৷ তবে
তাদের মধ্যে জাহিলিয়াতে র যুগে মনােমালিন্য ছিল বিধায় মিহলাম আমিরের প্রতি তীর নিক্ষেপ
করে তাকে হত্যা করেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর কাছে এ সংবাদ পৌছল ৷৩ তাই রাসুলুল্লাহ্ (সা) এ
ব্যাপারে যীমা০ সার জন্যে উয়ায়না এবং আক্রা এর সাথে আলোচনা করেন ৷ আক্রা (বা ) বলেন,
হে আল্লাহর রাসুল ! আজকে এ ঘটনা ঘটছে, কাল আবার অন্যটা ঘটবে ৷ এরুপ চলতে
থাকবে ৷ তাই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন ৷ উয়ায়না বলে উঠলেন০ : “না, আল্লাহর শপথ, এ
ব্যাপারে কোন মীমাংসা নেই যত তক্ষণ না আমাদের রমণীরা যেরুপ কষ্ট পেয়েছে৩ তাদের রমণীরাও
তদ্রুপ কষ্ট পায় ৷ এরপর মিহলাম দুটো চাদরে নিজেকে আচ্ছাদিত করে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর
সামনে জড়সড় অবস্থায় বললেন যাতে রাসুল (সা) তার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন ৷ কিন্তু
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, “আল্লাহ তাআলা তোমাকে ক্ষমা না করুন ’ তখন তিনি নিজ চাদর
দিয়ে অশ্রুজল মুছতে ঘুছতে উঠো দা ড়ালেন এবং সাত দিন না যেতে তই তিনি ইনতিকাল করলেন ৷

তাকে মাটিতে দাফন করা হলে মাটি তাকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করে ৷ মিহলামের আত্মীয়-
াজনরা রাসুলুল্লাহ (না)-এর কাছে এসে এ সংবাদ দেন ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেন, নিশ্চয়ই মাটি
তোমাদের সাথীর চেয়েও নিকৃষ্টতর লোককে বুকে ধারণ করে রয়েছে ৷ কিন্তু আল্লাহ তাআলা
তােমাদেরকে তোমাদের কারো শাস্তির মাধ্যমে উত্তম শিক্ষা প্রদান করে থাকেন ৷ এরপর তাকে

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.