রেজিস্টার

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

লগিন

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

ঊবৃযা মূর্তি ধ্বংসে খালিদ ইবৃন ওয়ালীদকে প্রেরণ

ঊবৃযা মূর্তি ধ্বংসে খালিদ ইবৃন ওয়ালীদকে প্রেরণ

মক্কায় রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর অবস্থান-কাল

মক্কা বিজয়ের পর রমযান মাসের অবশিষ্ট দিনগুলো রাসুলুল্লাহ্ (সা) সেখানেই কাটান ৷ এ
সময়ে তিনি যে নামায কসর পড়েন ও রােযা রাখেননি এ ব্যাপারে কারও কোন দ্বিমত নেই ৷ এটা
সেসব আলেমদের মতের স্বপক্ষে দলীল যীরা বলেন, মুসাফির যাঈ কোথাও অবস্থান (ইকামত)
করার দৃঢ় সংকল্প না করে, তবে আঠার দিন পর্যন্ত যে নামায কসর করতে পারবে ৷ অবশ্য এ
আলিমদের আর একটি মত যথাস্থানে লিপিবদ্ধ আছে ৷ ইমাম বখারী আবু নৃআয়ম আনাস
ইবন মালিক সুত্রে বণ্নাি করেন, তিনি বলেন : আমরা রাসুলুল্লাহ্ সাট্রুা-এর সাথে দশ দিন অবস্থান
করেছিলাম ৷ এ সময়ে তিনি নামায়ে কসর করতেন ৷ সিহাহ্সিতাং অন্যান্য সংকলকগণ ইয়াহ্য়া
ইবন আবুইসহাক হাদরামী আল-বসরী সুত্রে আনাস (রা) থেকে অনুরুপ বর্ণনা করেছেন ৷ ধুখারী
আবদান ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) (মক্কায়) উনিশ দিন
অবস্থান করেন এবং দৃরাকআত করে নামায আদায় করেন ৷ এ হাদীছ বুখারী অন্য সুত্রেও বর্ণনা
করেছেন ৷ বুখারী ও আবু হুসায়ন উত্তরে এবং আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবন মাজা এ হাদীছটি
আসিম ইবন সুলায়মান ইবন আব্বাস সুত্রে কিছুটা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন ৷ তবে আবু
দাউদের ভাবে অবস্থানকাল সতের দিন বলে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ আহমদ ইবন ইউনুস
ইবন আব্বাস সুত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন : আমরা কোন এক সফরে রাসুলুল্লাহ্
(সা ) এর সাথে উনিশ দিন একই স্থানে অবস্থান করি ৷ তখন আমরা নামায়ে কসর করেছি ৷ ইবন
আব্বাস (রা) বলেন, এ কারণেই আমরা যখন কোন স্থানে উনিশ দিন পর্যন্ত অবস্থান করি তখন
নামায কসর পড়ি ৷ কিভু উনিশ দিনের বেশী অবস্থান করলে নামায পুরোপুরি পড়ি ৷ আবু দাউদ
ইব্রাহীম ইবন মুসা ইমরান ইবন হুসায়ন সুত্রে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেছেন : আমি
রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর সাথে থেকে যুদ্ধ করেছি ৷ মক্কা বিজয়ে তীর সাথে থেকেছি ৷ তিনি তথায়
আঠার রাত পর্যন্ত অবস্থান করেন ৷ এ সময়ে তিনি দৃরাকআত করে নামায পড়েছেন ৷ তার চেয়ে
বেশী পড়েননি ৷ তিনি পরিষ্কার বলে দিতেন : “হে মক্কার অধিবাসীরা ! তোমরা নামায চার
রাকআত পড় ৷ আমরা তাে মুসাফির ৷” ইমাম তিরমিযী এ হাদীছ আলী ইবন যায়দ ইবন জ্বাদআন
থেকে অনুরুপ বংনাি করে মন্তব্য করেছেন যে, এ হাদীছ হাসান পর্যায়ের ৷ এরপর ইমাম তিরমিযী
এ হাদীছ মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক যুহরী আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ সুত্রে ইবন আব্বাস (রা) সুত্রে
বনাি করেন ৷ তিনি বলেন : রাসুলুল্লাহ্ (সা) মক্কা বিজয়ের পর সেখানে পনের রাত অবস্থান
করেন এবং নামায়ে কসর করেন ৷ এরপর তিরমিযী বলেন, এ হাদীছ ইবন ইসহাক থেকে
একাধিক রাবী বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তারা কেউ ইবন আব্বাসের উল্লেখ করেননি ৷ ইবন ইদরীস
মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি যুহরী ও মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন হুসায়ন , আসিম ইবন আমর
ইবন কাতাদা, অড়াবদুল্লাহ্ ইবন আবু বকর, আমর ইবন শুআয়ব ও আরও কতিপয় রাবী থেকে
রক্ষা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) মক্কায় পনের রাত অবস্থান করেন ৷

মক্কায় অবস্থানকালে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর
কতিপয় নির্দেশ

বুখারী বলেন, আমার নিকট আবদুল্লাহ ইবন মুসলিম আইন্ণার সুত্রে নবী করীম (সা)
থেকে বর্ণনা করেন, অন্য সনদে লায়ছ — — আইশা (বা) থেকে বর্ণনা করেন ৷ তিনি বলেন :
উত্বা ইবন আবু ওয়াক্কাস তদীয় ভ্রাতা সাদ ইবন আবু ওয়াক্কাসকে ওসীয়াত করে যান যে, তিনি
যেন যামআর বীদীর পুত্রটিকে নিজের আয়ত্বে নিয়ে নেন ৷ উত্বা বালছিলেন যে, ছেলেটির জন্ম
আমারই ঔরসে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বিজয়কালে যখন মক্কায় আসেন, তখন শ্না’দ ইবন আবু ওয়াক্কাস
এক সুযোগে যামআর র্বাদীর পুত্রটিকে নিজের আয়ত্বে এনে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নিকট উপস্থিত
হন ৷ তার সাথে যামআর পুত্র আবদও আসে ৷ সাদ ইবন আবু ওয়াক্কাস দাবী করলেন যে, এ
আমার ভাতিজা ৷ আমার ভাই ওসীয়ত করে গিয়েছেন যে, এ সম্ভানটি তারই ঔরসজাত ৷ প্ৰতি
উত্তরে আবদ ইবন যামআ বললো , ইয়া রাসুলাল্লাহ্ এ আমার ভাই ৷ এ যামআর পুত্র ৷ তার
বিছানায় এর জন্ম হয়েছে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) তখন যামআর র্বাদীর পুত্রের প্ৰতি লক্ষ্য করে দেখলেন
যে, তার দৈহিক গঠন ও চেহারা উত্বা ইবন আবু ওয়াক্কাসের সাথে অধিক সাদৃশ্যপুর্ণ ৷ তখন
রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন, হে আবদ ইবন যামআ ! তুমিই এর অধিকারী ৷ এ তােমারই ভাই ৷
কেননা, সে তারই বিছানায় জন্ম গ্রহণ করেছে ৷ এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) তার সহধ্র্মিণী সাওদা
বিনৃত যামআকে বললেন, তুমি এর থেকে পর্দা করবে ৷ কারণ, তিনি দেখেছেন যে, উত্বা ইবন
আবু ওয়াক্কাসের সাথে তার সাদৃশ্য রয়েছে ৷ ইবন শিহাব বলেন, আইশা (বা) বলেছেন যে,
এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) বললেন বিছানা যার সন্তান তার,
আর ব্যভিচারীর জন্যে পাথর ৷ অর্থাৎ প্ৰস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড ৷ ইবন শিহাব বলেন, আবু হুরায়রা এ
বাক্যটি প্রায়ই উচ্চ৪স্বরে বলতেন ৷ এ হাদীছটি মুসলিম , আবু দাউদ, তিরমিযী এবং বুখারী ও
কুতায়বার সুত্রে লায়ছ থেকে অনুরুপ বনাি করেছেন ৷ ইবন মাজ৷ ও বুখারী মালিক সুত্রে যুহরী
থেকে এ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন ৷

এরপর ইমাম বুখারী বলেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন মুকাতিল উরওয়া ইবন
যুবায়র সুত্রে বর্ণনা করেন যে, বিজয় যুদ্ধে রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর উপস্থিত কালে জনৈক মহিলা চুরি
করে ধরা পড়ে ৷ এতে তার গোত্রের লোকেরা ভীত হয়ে রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর কাছে সুপারিশের
জন্যে উসামা ইবন যায়দের কাছে ছুটে আসে ৷ উরওয়া (রা) বলেন, উসামা যখন ঐ মহিলার
ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে আলাপ করছিল, তখন রড়াসুলুল্লাহ্ (না)-এর চেহারার রং
পরিবর্ভা হয়ে গিয়েছিল ৷ তিনি উসামাকে বলেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তির বিধান (হদ)
এর ব্যাপারে আমার কাছে সুপারিশ করছো ? তখন উসামা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! আমার

জন্যে ক্ষমা প্রাংনি৷ করুন ! এরপর সন্ধ্য৷ হলেও তিনি জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে দণ্ডায়মান
হলেন ৷ প্রথমে আল্লাহর যথোপোযুক্ত প্রশংসা করলেন ৷ তারপরে বললেন, তোমাদের পুর্ববর্তী
জাতিসমুহ এ কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে যে, তাদের কোন অভিজাত লোক চুরি করলে তারা তাকে
ছেড়ে দিত ; কিন্তু কোন দুর্বল লোক চুরি করলে তার উপর দণ্ড প্রয়োগ করতে৷ ৷ ,
যার হাতে মৃহাম্মাদের জীবন যদি মুহাম্মাদের কন্যা ফাত ৷তিমাও চুবি করতো তা হলে অবশ্যই আমি

তার হাত কেটে দিতাম ৷ তারপর রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নির্দেশক্রমে সে মহিলা র হাত তকেটে দেয়া
হয় ৷ পরবর্তীতে তার এ ত ৷ওব৷ উত্তম প্রমাণিত হয়েছে এবং অন্য এক পুরুষের সাথে তার বিবাহ
হয়েছে ৷ আ ৷ইশ৷ (রা ) বলেন, এরপর সে প্রায়ই আমার কাছে আসাত৷ এবং আমি তার আবেদন
রাসুলুল্লাহ্ (সা) এর নিকট পেশ করত তাম ৷ বুখারী তার গ্রন্থের অন্য স্থানে এবং মুসলিম ইবন
ওহবের সুত্রে আইশা (রা) থেকে অনুরুপ বর্ণনা ৷করেচ্ছেন ৷

সহীহ্ মুসলিম গ্রন্থে সাবুরা ইবন মাবাদ জুহানী সুত্রে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন, বিজয়ের বছর
মক্কা প্রবেশকালে রাসুলুল্লাহ্ (সা) আমাদেরকে মুতআ (সাময়িক বিবাহ) এর অনুমতি দেন !
এরপর তার মক্কা থেকে বের হয়ে আমার পুর্বেই এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন ৷
মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় এসেছে ৷ রাসুলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন, আজকের এই দিন থেকে
কিয়ামত পর্যন্ত ঘুত্অ৷ হারাম ঘোষণা করা হলো ৷ মুসনাদে আহমদ ও সুনান প্রন্থসমুহের এক
বর্ণনা মতে কিয়ামত পর্যন্ত হারাম হওয়ার এ ঘোষণা বিদায় হরুজ্জ দেয়৷ হয়েছিল ৷ সহীহ্ মুসলিমে
আবু বকর ইবন আবু শায়বা সুত্রে সালামা ইবন আক্ওয়৷ (রা) থেকে বর্ণিত ৷ তিনি বলেন
৪আওতাসের বছর রাসুলুল্পাহ্ (সা) আমাদেরকে মহিলাদের সাথে মুত তআ করার অনুমতি
দিয়েছিলেন তিন দিনের জন্যে ৷ এরপর তিনি আমাদেরকে এ থেকে ধারণ করে দেন ৷ বায়হাকী
বলেন, আওতাসের বছর ও বিজয়ের বছর একই ৷৩ তাই উক্ত হাদীছ ও সাবুরা বর্ণিত হা ৷দীছ অভিন্ন ৷

আমি বলি, যে সব আলিম খায়বারেব যুদ্ধে মুতঅ৷ হারাম হওয়া প্রমাণ করেন তাদের মতে
মুত্আ দৃ’বার মুবাহ করা হয়েছে এবং দৃ’বার হারাম করা হয়েছে ৷ ইমাম শাফিঈ প্রমুখ এ ব্যাপারে
সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণের অবতারণা করেছেন ৷ কারও কারও মতে দৃ’ বারের চেয়েও অধিক বার
একে মুবাহ ও হারাম করা হয়েছে ৷ আল্লাহ্ইভ তাল জা নেন ৷ কারও মতে এটা একবারই মুবাহ
করার পর হারাম করে দেওয়া হয়েছে ৷ আর তা হয়েছে মক্কা বিজয়ের কালে ৷ আবার কেউ কেউ
বলেছেন, প্রয়োজনের তাকিদে এটা মুবাহ করা হয়েছে ৷ এ মত তঅনুয়ায়ী যখনই প্রয়োজন দেখা
দেবে তখনই তা মুবাহ হয়ে যাবে ৷ ইমাম আহমদ থেকে এরুপ একটি মতের কথা জানা যায় ৷
কারও কারও মতে ঘুত্আ আদৌ হারাম করা হয়নি; বরং তা এখনও মুবাহ আ ছ ৷ ইবন আব্বাস
এই মত পোষণ করেন বলে প্রসিদ্ধ আছে ৷ এ ছাড়াত তার শিষ্যবর্গ এবং কতিপয় সাহাবীও এই
মত পোষণ করেন ৷ আহ্ক৷ ম বা বিধি-বিধানের অধ্যায়ই এ আলোচনা ৷র উপযুক্ত স্থান ৷

অনুচ্ছেদ

ইমাম আহমদ বলেন : আমার নিকট আবদুর রায়যাক — — মুহাম্মাদ ইবন আসওদ সুত্রে
বংনি৷ করেন যে, তার পিতা আসওদ রাসুলুল্লাহ্ (সা )-কে বিজয়ের দিন লোকদেরকে বায়আত

Related Posts

Leave a comment

You must login to add a new comment.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.